বিনা পুঁজিতে বা স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার 34 টা উপায়-২০২৪ | Rahul IT BD

বিনা পুঁজিতে বা স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার 34 টা উপায়-২০২৪

প্রিয় পাঠক আজকের এই আর্টিকেলটিতে বিনা পুঁজিতে বা স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার উপায় এবং স্বল্প কিংবা বিনা পুঁজিতে কি ব্যবসা করবেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আপনি ব্যবসা করার উপায় সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে থাকলে, আপনাকে স্বাগতম।
বিনা পুঁজিতে বা স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা
তাই আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইলো। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক  করা যায়।

ভূমিকা

প্রিয় বন্ধুগণ আশা করছি আজকের এই পোস্টটি অনেক ইনফরমেটিভ হবে। আপনি যদি এই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়েন তাহলে অবশ্যই বিনা পুঁজিতে বা স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার 34 টা উপায়ে জানতে পারবেন। আসুন এখন এই আর্টিকেলটি ভালোভাবে দেখে নেওয়া যাক।

বিনা পুঁজিতে বা স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার 34 টা উপায়-২০২৪

বিনা পুঁজিতে বা স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার অনেক উপায় আছে এবং সেখান থেকে অনেক ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে। এটা ডিপেন্ড করবে সে কতটা দক্ষতার সাথে কাজ করেছে তার উপরে। যদি সে ইনকাম করতে না পারে, তার বেনিফিট হচ্ছে সে অভিজ্ঞতা লাভ করছে। হয়তো ইনকাম একটু দেরি হচ্ছে কিন্তু ইনকাম তার এক সময় হবেই।

ট্রাভেল এজেন্ট নিয়ে ব্যবসাঃ যারা বিদেশে যান বা ট্রাভেল করে থাকে এমন লোকদেরকে আপনাকে মেসেজ পৌঁছে দিতে হবে যে ভাই আমি এয়ার টিকেট কাটতে পারি এবং আমি ভিসা সংক্রান্ত, টিকিট সংক্রান্ত ও হোটেল সংক্রান্ত দেশে এবং দেশের বাইরে যে কোন সেবা আমি আপনাদেরকে দিতে পারব।


এরপর কেউ যদি আপনার কাছে এসে এয়ার টিকেট কাটে তাহলে সেই এয়ারলাইন্স কোম্পানি আপনাকে হ্যান্ডসাম একটা এমাউন্টে কমিশন প্রদান করে থাকবে। এই যে টাকাটা আপনি পেলেন এটাই কিন্তু বিনা পুঁজিতে আপনার কাছে চলে আসলো। 

যদি আপনি সেল করতে পারেন বা মানুষের কাছে আপনি আপনার সেবা পৌঁছে দিতে পারেন বা মানুষকে যদি আপনি জানাতে পারেন যে আপনি এই কাজগুলো করতে পারেন, তাহলে আশা করা যায় আপনার কাজ পাওয়ার অভাব থাকবে না। তাই এটি একটি অন্যতম উপায় হতে পারে।

প্রোডাক্ট মার্কেটিং করেঃ আপনার কাছে যদি স্বল্প পথে থাকে ধরেন 10000 বা 20000 টাকা আপনার কাছে আছে। এখন এই টাকা দিয়ে আপনি কিভাবে বিজনেস শুরু করতে পারেন। সর্বপ্রথমে আপনাকে কিছু টাকা খরচ করে ভিজিটিং কার্ড বানাতে হবে। ধরেন আপনি জুতা নিয়ে ব্যবসা করবেন ছোট পরিসরে। 

তাহলে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যে এর পাইকারি বাজার কোথায়। গুলিস্তানের পাশে ঢাকা ট্রেড সেন্টার সেখানে জুতার পাইকারি বাজার রয়েছে। চায়না থেকে আমদানিকৃত অনেক ধরনের জুতা পাওয়া যায়। এটা যে কোন প্রোডাক্ট নিয়ে হতে পারে। 

তাই আপনি চাইলে পাইকারি বাজার থেকে প্রোডাক্ট কিনে নিজে মার্কেটিং এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করে ইনকামঃ বিনা পুঁজিতে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখে ইনকাম করা সম্ভব। এর জন্য প্রথমে আপনাকে ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শিখে নিতে হবে। আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনের সেটিংস ভালো করে বুঝে করতে পারলে আপনার পয়সার অভাব হবে না। 

কারণ এ পেশার অনেক মূল্য রয়েছে বা অনেক ডিমান্ড রয়েছে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখে এই ব্যবসা করতে পারেন।

ডিজিটাল মার্কেটিংঃ ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার পণ্য বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে পৌঁছে দিতে পারেন যেমন বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে হতে পারে। জনগণের কাছে চাহিদা আছে এমন পণ্য সিলেক্ট করে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারেন।

পর্যটন স্পটে ব্যবসাঃ আমরা সবাই কিন্তু ঘুরতে ভালোবাসি। আমাদের দেশের প্রত্যেকটি জেলা শহর বিভাগীয় শহর এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় পর্যটন স্পট রয়েছে। একটু সময় পেলে প্রচুর মানুষ সেখানে উপস্থিত হয় আনন্দ নেওয়ার জন্য, এ সমস্ত পর্যটন স্পট গুলোতে ছোট পরিসরে বিজনেস শুরু করতে পারেন।

ফার্মেসী ব্যবসাঃ ফার্মেসি ব্যবসার সুবিধা হল দেশের যে কোন পরিস্থিতিতে এই ব্যবসাটা খোলা থাকে। আমরা যেমন দেখেছি যে করোনা ভাইরাস এর সময়ে অনেক ধরনের বিজনেস প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও ফার্মেসির ব্যবসা রম-রমা চলেছে। তাই ব্যবসাটি নিয়ে চিন্তা করতে পারেন।


সাপ্লাই ব্যবসাঃ আপনার স্থানীয় বাজারে বা কাছাকাছি কোন দোকানদারের প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি যদি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থেকে পাইকারি দরে অল্প পরিসরে প্রোডাক্ট কিনে, তাদের নিকট সাপ্লাই করতে পারেন।

ডেইরি উৎপাদন ব্যবসাঃ আমাদের দেশে এ ব্যবসাটির অনেক চাহিদা রয়েছে। কারণ আমরা দুধ, দই, গরুর মাংস খেতে পছন্দ করি তাই অন্যান্য ডেরি পণ্য উৎপাদন ও বিপণন করতে পারেন।

জরুরী চিকিৎসা সেবাঃ আমাদের দেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা চিকিৎসা সেবার উপর স্বল্পকালীন কোর্স করিয়ে থাকে যেমন গৃহপালিত পশুপাখির চিকিৎসা এ সমস্ত স্বল্পকালীন কোর্স করেও নিজের এলাকাতে জরুরী চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে পারেন।


ফাস্টফুড এর ব্যবসাঃ এ ব্যবসাটি অনেক জনপ্রিয় একটি ব্যবসা প্রায় প্রত্যেকটি অঞ্চলে এই ব্যবসার চাহিদা রয়েছে। সঠিক লোকেশন দেখে এই ব্যবসা করা যেতে পারে।

চা-নাস্তার স্টলঃ এ ব্যবসাটি অল্প কিছু পুঁজি দিয়েও শুরু করা যায়। একটা ভালো লোকেশন দেখে যদি চা নাস্তার স্টল করা যায় তাহলে এই ব্যবসাটি ভালো চলার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্যক্তিগত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ আপনি যদি শিক্ষিত বেকার হয়ে থাকেন তাহলে বসে না থেকে একটি ব্যক্তিগত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারেন। আপনার জন্য এটি একটি দারুন মহৎ পেশা হতে পারে।

গৃহকর্মী সেবাঃ এ ধরনের বিজনেস সাধারণত শহরের দিকে ভালো চলতে পারে কারণ শহরের মানুষের বাসার কাজের জন্য গৃহকর্মী লাগে, বাচ্চাকে দেখাশোনা করার জন্য গৃহকর্মী লাগে এসব ক্ষেত্রে গৃহকর্মী সেবা প্রদান করতে পারেন।

প্যাকেজিং ব্যবসাঃ প্যাকেজিং ব্যবসা স্বল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। আপনি ঢাকা চকবাজার, বেগম বাজার বা দেশের যেকোনো প্রান্তে থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য কিনে প্যাকেজিং করে ব্যবসা করতে পারেন।

মুদি দোকানের ব্যবসাঃ আপনি মুদির দোকানের ব্যবসা করতে পারেন, যেহেতু সেখানে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যায়।

কফি শপ ব্যবসাঃ আপনি যদি সুন্দর লোকেশন দেখে কফি শপ বা কফি হাউজের ব্যবসা করতে পারেন তাহলে এই ব্যবসাটি আপনাকে ভালো প্রফিট দেবে আশা করা যায়।

সেলুন ব্যবসাঃ এ ব্যবসাটি স্বল্প পুঁজি দিয়ে করা যেতে পারে। এটি একটি লাভজনক ব্যবসা এবং এর চাহিদা কখনো শেষ হবার নয়।

অর্গানিক ফুড ব্যবসাঃ আপনি যদি দেশের বিভিন্ন জায়গায় থেকে বিভিন্ন ধরনের অর্গানিক ফুড ম্যানেজ করতে পারেন, তাহলে এ ব্যবসাটি হতে পারে আপনার জন্য একটি চমৎকার ব্যবসা।

ফুড ডেলিভারি ব্যবসাঃ আজকাল শহরের দিকে ফুড ডেলিভারি ব্যবসা অনেক বেশি দেখা যায়। ফুড ডেলিভারি সার্ভিস প্রদানের মাধ্যমেও আপনি ব্যবসা করতে পারেন।

ম্যানুফ্যাকচারিং বিজনেসঃ এ ব্যবসাটি অল্প পুঁজি দিয়েও শুরু করা সম্ভব। ঘরোয়া পরিবেশে আপনি এই ব্যবসাটি করতে পারেন। তবে এর জন্য আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনি কোন দ্রব্য প্রোডাকশন করবেন এবং তার জন্য কি ধরনের যন্ত্রপাতি লাগবে। এটি আপনার জন্য একটি চমৎকার ব্যবসা হতে পারে।

কোচিং বিজনেসঃ আপনি যদি শিক্ষিত হয়ে থাকেন। যে সাবজেক্ট টি ভালো বোঝেন, সে সাবজেক্টের উপর শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দান করতে পারেন। এভাবে একটি কোচিং বিজনেস চালু করতে পারেন।

সিকিউরিটি সার্ভিস প্রতিষ্ঠানঃ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বাসা বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি নিরাপত্তার জন্য সিকিউরিটি গার্ডের প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে আপনি সিকিউরিটি গার্ড প্রদানের মাধ্যমে সিকিউরিটি সার্ভিস প্রতিষ্ঠান চালু করতে পারেন।

ফিটনেস সেন্টারঃ বর্তমানে ভালো লোকেশন দেখে ফিটনেস সেন্টার খুলতে পারলে বিভিন্ন বয়সের ছেলে মেয়েরা শারীরিক ফিটনেস এর মাধ্যমে যেমন উপকৃত হবে, তেমনি আপনার জন্য হতে পারে খুবই স্ট্যান্ডার্ড একটি বিজনেস।

ব্লগিংঃ ব্লগিং হলো আপনার জন্য অন্যতম সেরা একটি ব্যবসা হতে পারে। যারা লিখালিখি করতে পছন্দ করেন, তারা ব্লগিং শুরু করতে পারেন। একটি ব্লগার ওয়েবসাইট নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ের উপর পোস্ট বা আর্টিকেল লিখে ব্লগিং করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনেক লাভজনক একটি ব্যবসা হতে পারে। অনেক মার্কেটার আছে, যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রতি মাসে ১০ হাজার ডলার এর বেশি ইনকাম করে থাকে।

Youtube চ্যানেল তৈরিঃ অধিকাংশ মানুষ youtube এ ভিডিও দেখতে পছন্দ করে। আপনি যদি একটি ভালো জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারেন, তাহলে এই একটি চ্যানেল দিয়ে আপনি হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করতে হবে। 

ফলের ব্যবসাঃ ফল অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খাবারটি সকলেই খেতে পছন্দ করে, বাজারে এর অনেক চাহিদা রয়েছে তাই আপনি চাইলে ফলের ব্যবসা করতে পারেন।

সবজি ব্যবসাঃ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মধ্যে সবজি একটি অন্যতম। প্রায় সব শ্রেণী পেশার মানুষ প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় সবজি রাখে। বাজারে অনেক চাহিদা রয়েছে তাই ছোট পরিসরে সবজির ব্যবসা শুরু করতে পারেন খুবই অল্প পুঁজিতে।

পোল্ট্রি ফার্মঃ পোল্ট্রি ফার্মের ব্যবসা শুরু করার পূর্বে আপনাকে এই সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নিতে হবে বা ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। কারণ কিভাবে পরিচর্যা করতে হয়, সঠিক পরিমাণে খাবার, সঠিক জায়গা নির্ধারণ ইত্যাদি বিষয়ের উপর জ্ঞান থাকতে হয়। এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। স্বল্প পরিসরে অল্প পুঁজি দিয়েও এই ব্যবসাটি শুরু করা যেতে পারে।

মাছ চাষঃ বাড়ির আশেপাশে যদি ছোট পরিসরে মাছ চাষ করার মত জায়গা থাকে তাহলে স্বল্প পুঁজিতে মাছ চাষ করতে পারেন। সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে, মাছ চাষ করে আপনি লাভবান হতে পারবেন।

ফুলের দোকানঃ ফুল পছন্দ করে না পৃথিবীতে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াই দায়। যে কোন অনুষ্ঠানকে আরো সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য ফুলের বিকল্প কিছু নেই। ফুল সবার প্রিয়, অনেক চাহিদা থাকায় আপনি ফুলের ব্যবসা নিয়ে চিন্তা করতে পারেন।

স্টেশনারি দোকানঃ এই ব্যবসাটি স্বল্প পুঁজিতে বা ছোট পরিসরে করা সম্ভব। স্কুল-কলেজ বা ইউনিভার্সিটি এলাকার কাছাকাছি সুন্দর একটি টিপটপ দোকান দিতে পারলে, স্টেশনারি ব্যবসা অনেক ভালো চলবে, তাই অল্প পুঁজিতে এটি হতে পারে আপনার জন্য চমৎকার একটি ব্যবসা।

ফুচকা ও চটপটির ব্যবসাঃ ফুচকা ও চটপটি খেতে বেশিরভাগ মানুষই পছন্দ করে। এই ব্যবসাটি সঠিক লোকেশন নির্বাচন করে শুরু করা যেতে পারে। এই ব্যবসা করতে বেশি পুজির প্রয়োজন হয় না। তাই যারা অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করতে চান, এই ব্যবসাটি হতে পারে আপনাদের জন্য, অনেক লাভজনক একটি ব্যবসা।

খেলনার দোকানঃ খেলনার জনপ্রিয়তা দিনকে দিন বাড়ছে। এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। আমরা সাধারণত বাচ্চাদেরকে খুশিতে রাখার জন্য খেলনা উপহার দিয়ে থাকি। বাজারে খেলনার অনেক চাহিদা রয়েছে, তাই স্বল্প পুঁজিতে এই ব্যবসা শুরু করা যায়।

পরিশেষে

প্রিয় বন্ধুগণ আপনি যদি আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই বিনা পুঁজিতে বা স্বল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার উপায় সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। আশা করি আপনি এই আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হয়েছেন। 

এ ধরনের নিয়মিত আর্টিকেল সম্পর্কে জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে থাকুন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো আর্টিকেলে অবশ্যই সে পর্যন্ত আমাদের পাশেই থাকুন। আর দেরি না করে, আমি আপনার এবং আপনার পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্যতা কামনা করে আজকের মত এখানে শেষ করছি।



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url