এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল চেনার উপায় জানুন | Rahul IT BD

এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল চেনার উপায় জানুন

প্রিয় পাঠক আজকের আর্টিকেলে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল চেনার উপায়, চুলের যত্নে অলিভ অয়েল, অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম ইত্যাদি বিষয়ে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল চেনার উপায়
আপনারা যারা এ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী তাদেরকে আজকের আর্টিকেলে স্বাগতম জানাই। তাই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়তে থাকুন

ভূমিকা

প্রিয় বন্ধুগণ আপনারা অনেকেই এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেল সম্পর্কে জানতে বা কিভাবে এই তেল ব্যবহার করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায় সে সম্পর্কে জানতে ইন্টারনেটে সার্চ করে থাকেন। আপনাদের এসব দিক বিবেচনা করে আজকের আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য লেখা।

আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন। তাই মনোযোগ দিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন।

এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল চেনার উপায় জানুন

প্রিয় বন্ধুরা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেল সাধারণত সূর্যের তাপ থেকে দূরে রাখা হয়। বিশেষ করে যারা আসল এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেল বিক্রয় করে থাকে যে সমস্ত কোম্পানি তারা অবশ্যই কাঁচের বোতলে অর্থাৎ ভালো পাত্রে দিয়ে সেল করার চেষ্টা করে থাকে। 

যারা প্লাস্টিক বোতলের মধ্যে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেল ভরে বিক্রি করার চেষ্টা করে সাধারণত সেটা আসল নয় হিসেবে বিবেচিত হয়। স্বাভাবিকভাবেই যে তেলের দাম এত বেশি সে তেলের বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে অবশ্যই কোম্পানি ভালো বোতলে। 

অর্থাৎ কাচের বোতলে তেল ভরে বাজারজাত করবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ কাচের বোতলের মধ্যে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেল রাখলে তেলের কোয়ালিটি দীর্ঘকাল যাবত ভালো থাকবে যেটা প্লাস্টিকের বোতলে কখনো সম্ভব নয়। 

তাই প্লাস্টিক বোতলে যদি কখনো পান তাহলে সেটা এভয়েড করে যাওয়াটা অনেক ভালো। সেটা ভেজাল হওয়া সম্ভব না সর্বোচ্চ। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেল যে সমস্ত কোম্পানি উৎপাদন করে থাকে। 

এর প্রোডাকশন কস্ট অনেক বেশি বা প্রসেস করতে অনেক বেশি খরচ হওয়ার কারণে এর দাম সাময়িকভাবেই বেশি হয়। সেখানে আপনি যদি কোথাও কোন ভাবে কম দামে পেয়ে যান তবে কেনার আগে সেটা দ্বিতীয়বার ভাববেন যে এটা নেওয়াটা ঠিক হবে কিনা। 

কারণ সেখানে ভেজাল হওয়ার সম্ভাবনা বা নকল হওয়া সম্ভব না অনেক বেশি থাকবে। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেলের ঘনত্ব অনেক বেশি থাকে কারণ এর মধ্যে মনো সেচু রেটেড ফ্যাট থাকায় এটি হয়ে থাকে। 

এই তেল ফ্রিজে রাখলে স্বাভাবিকভাবেই এর ঘনত্ব বা আরো বেশি ঘন হয়ে যাবে। তাই কম তাপমাত্রায় ফ্রিজে রেখে ঘনত্ব চেঞ্জ হচ্ছে কিনা সেটি দেখেও এর পার্থক্য বের করা যেতে পারে।

এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল সব সময় ডার্ক মোটা কাঁচের বোতলে স্টোর করা হয় এবং সূর্য লোক থেকে দূরে রাখা হয়। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল কখনোই স্বচ্ছ প্লাস্টিক মেটাল পাত্রে করে সেল করা হবে না। এটা একটি নির্দিষ্ট কোয়ালিটি বজায় রেখে তৈরি করা হয়। 

আসল এক্সট্রা ভার্জিন অলিভয়েলের ম্যাক্সিমাম মনো ছেচুরেটেড ফ্যাট থাকায় এর ঘনত্ব অন্য তেলের চেয়ে বেশি হয় একই কারণে ফ্রিজে রাখা হলে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি ঘন হয়ে যায়। 

তাই ফ্রিজের নিম্ন তাপমাত্রায় তেলের ঘনত্ব চেঞ্জ হচ্ছে কিনা সেটা দেখে আর আসল অর্গানিক এক্সট্রা ভার্জিন তেলের ভেতর তফাৎ বের করা যেতে পারে। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল এর দাম তুলনামূলকভাবে বাজারে অন্যান্য তেলের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। 

তাই এই তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এর মেয়াদ একটু বেশি সময় ধরে দিয়ে থাকেন। এই তেল প্রোডাকশন করা বেশ কষ্টকর। তাই এই তেলের দামটা একটু বেশি ধরা হয় আধা লিটার বা ১ লিটার এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা বিক্রি করা সম্ভব নয়। । 

ইউরোপ থেকে আমদানি হওয়া এক্সট্রা ভার্জিন তেলে ডিওপি এবং আমেরিকা থেকে আমদানি হওয়া অরিজিনাল প্রোডাক্টে সি ও ও সি সিল থাকবে। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল সব সময় ডার্ক মোটা কাঁচের বোতলে স্টোর করা হয়।

চুলের যত্নে অলিভ অয়েল-Olive oil for hair

ত্বক ও চুলের যত্নে যে সকল প্রসাধনী তৈরি করা হয় তার বেশিরভাগ প্রসাধনের মধ্যেই অলিভ অয়েল ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে শীতকালে অলিভ অয়েলের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। 

অলিভ অয়েলের ভিটামিন এ ,ই, এবং এর সাথে তিন ধরনের এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে ত্বক ও চুলকে রক্ষা করে।

চুলকে নরম ও মসৃণ করতে হাইড্রেট করতে চুলের গোড়া মজবুত করতে অলিভ অয়েল তেলের কোন জুড়ি নেই। অলিভ অয়েল এর মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণের এন্টি মাইক্রোবিয়াল, প্রোটিন, এন টি অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য, যা চুলের রক্ষাকবচ হিসাবে কাজ করে। 

এই তেল বহুল প্রচলিত। চুলের বৃদ্ধি উজ্জ্বলতা বাড়ায় এই তেল ব্যবহার কর ফলে। এই তেলচুলে ব্যবহার করলে চুল ঘন হবে। চুলের ডগা ফাটা থেকে রক্ষা করবে। এই তেল খুশকি দূর করে থাকে। অলিভ অয়েল দিয়ে প্যাক বানিয়ে চুলে ব্যবহার করলে চুলের অনেক উপকার পাওয়া যাবে। 

যেমন- ডিম ও পরিমাণমতো অলিভ অয়েল নিয়ে গেন্ডার মেশিন দিয়ে ব্লেন্ড করে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এই মিশ্রনটি চুলের গোড়ায় মেখে কমপক্ষে এক ঘন্টা রেখে দিতে হবে। এই মিশ্রণটি সপ্তাহে একদিন করতে পারলে খুশকি দূর হবে। 

সাথে চুল হবে মজবুত এবং ঝলমলে। তবে যাদের এই তেল ব্যবহার করলে এলার্জি সমস্যা দেখা দিবে তাদের এ তেল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

অলিভ অয়েল তেল ব্যবহারের নিয়ম-সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক

আধা কাপ অলিভ অয়েল গরম করে তাতে চা এর লিকার মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে নিলেই কন্ডিশনার এর উপকার পাওয়া যাবে। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ৪৫ চামচ মিশিয়ে নিলে স্নানের জলে সেটা ত্বককে নরম তো রাখবে সারা দিনে ঘাম হবে অনেক কম। 

ভোর তোলার পর বা দাড়ি কামানোর পর ত্বক জ্বালা করলে বা কোন রকম হ্রাস বের হলে অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে সেটা আর হবে না।

মুখে অলিভ অয়েল ব্যবহারের নিয়ম-জেনে নিন শতভাগ কার্যকর

মুখে অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায় তবে এটা ব্যবহারের কিছু নিয়ম রয়েছে।রোদে যাওয়ার আগে যদি অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যায় তাহলে সানবার্ন থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আমাদের স্কিনকে যে কালচে ভাব করে দেয়। 

নিয়মিত অলিভ অয়েল মুখে ব্যবহার করলে সেটা দূর হয়। ব্রণের ক্ষেত্রে এ তেল বেশ কার্যকর। লবণ এর সাথে যদি অলিভ অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করা যায় তাহলে এক সপ্তাহের মধ্যে ব্রণ ভালো হয়ে যাবে। লবণ মুখে এক্সপলিউশন করে এবং এই তেল মুখের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। 

অলিভ অয়েলের রয়েছে লাইকোনিক এসিড যা পানি বাষ্প হতে দেয় না। অলিভ অয়েল এর সাথে যদি আলমন্ড অয়েল নাইট ক্রিম হিসেবে ব্যবহার করা যায় তাহলে তোকে থাকা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে। 

এই উপাদানটি যদি নিয়মিত ব্যবহার করা যায় তাহলে ত্বক উজ্জ্বল হবে, কালো দাগ দূর হবে, এবং ত্বক কোমল ও নরম হবে। গোসলের পরে অলিভ অয়েল তেল ব্যবহার করলে এটি মশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

আসল অলিভ অয়েল চেনার উপায়-Extea virgin olive oil

অলিভ অয়েল তেল বাজারে এভেলেবল পাওয়া যায় কিন্তু কোনটা আসল আর কোনটা নকল এটা চিনতে হবে। এই তেল আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ব্যবহার করতেন। সেই হিসেবে প্রত্যেকটা মুসলমানের এই তেল ব্যবহার করা সুন্নত। 

সাধারণত আসল অলিভ অয়েলের মেয়াদটা বেশি থাকে। তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এই তেল দুই বছর মেয়াদ দিলেও তারা এর পূর্বেই ব্যবহার শেষ করার পরামর্শ দেয় এবং সেটি বোতলের গায়েও লিখে দেন। যদি বোতলের গায়ে মেয়াদ তিন থেকে চার বছর লেখা থাকে। 

তাহলে বুঝতে হবে সেই অলিভ অয়েল তেলটা নকল। এই তেল কোন অবস্থাতেই কেনা যাবে না বা ব্যবহার করা যাবে না। আসল অলিভ অয়েলের দাম তুলনামূলকভাবে একটু বেশি হয়ে থাকে এবং এটা খুবই রেয়ার একটি পণ্য। বর্তমানে এই তেল বাজারে সহজে পাওয়া যায় না। 

কারণ এ তেল দামি হওয়ার কারণে অনেক মানুষ কিনতে চায় না এবং এর গুণগত মান মানুষ বুঝতে পারে না। তাই এ তেলের দাম বেশি হওয়ার কারণে এই তেলের বিক্রির হার কমে যাওয়ার ফলে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমছে। 

আসল অলিভ অয়েল তৈরি করার সময় এটা কাচের বোতলে তৈরি করা হয় এবং সূর্য থেকে দূরে রাখা হয়। যদি অতিরিক্ত তাপমাত্রায় তেল রাখা হয় তাহলে এর গুনাগুন নষ্ট হয়ে যাবে। আসল অলিভ অয়েল কখনো পাতলা টিন প্লাস্টিক বোতলে ভরে উৎপাদন করা হয় না। 

আসল অলিভ অয়েল চেনার উপায় হচ্ছে এই তেলে ম্যাক্সিমাম মনোসেচুরেট ফ্যাট থাকায় এটি অন্যান্য নকল তেলের চেয়ে বেশি ঘনত্ব। যার কারনে এই তেল ঠান্ডা জায়গায় এর ঘনত্ব স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘন দেখা যায়। 

তাই কম তাপমাত্রা নকল তেলের ঘনত্ব পরিবর্তন হচ্ছে কিনা সেটা দেখে সহজে চেনা যাবে সেটা আসল না নকল তেল । তাছাড়াও ফ্রিজ টেস্ট করেও আসল নকল অলিভ অয়েল চেনা যায়। একটি পাত্র নিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ডিপ ফ্রিজে অলিভ অয়েল রেখে দিতে হবে। 

যদি দেখা যায় অলিভ অয়েল জমে শক্ত হয়ে গেছে অথবা লিকুইড নেই তাহলে বুঝতে হবে অলিভ অয়েল তেলটি খাঁটি নয়। আর যদি দেখা যায় এটি হালকা জমে গেছে অথবা ঘন হয়ে গেছে তবেই বুঝতে হবে তেলটি খাঁটি।

জয়তুন তেলের উপকারিতা এবং খাওয়ার নিয়ম-সম্পর্কে জেনে নিন

জয়তুন তেলের উপকারিতা সম্পর্কে আমরা অনেকে জানি না। আমাদের রক্তের কোলেস্টেরল মাত্রা যাদের বেশি রয়েছে তারা যদি নিয়মিত জয়তুন তেল খাওয়ার অভ্যাস করতে পারে তাহলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। রক্তচাপ কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। 

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জয়তুন তেল একটি মহা ঔষধ হিসেবে কাজ করে শরীরে ইনসুলিনসের মাত্রা সঠিক রাখতে সহায়তা করে। ক্যালসিয়াম এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট প্রচুর থাকার কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং শরীর সুস্থ থাকে। 

জয়তুন তেল নিয়মিত ব্যবহারের ফলে দাঁতের মাড়ি ফোলা, কোষ্ঠকাঠিন্য, টিউমার ইত্যাদি বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এমনকি ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এই তেল ব্যবহারের মাধ্যমে। 

যাদের রক্তশূন্যতার ঘাটতি রয়েছে তারা নিয়মিত জয়তুন তেল ব্যবহারের ফলে রক্তশূন্যতার ঘাটতি দূর হবে। 

তাই খাবারের তালিকায় জয়তুন তেল রাখতে পারেন। ব্যাথা নাশক ওষুধ হিসাবেও এই তেলের গুরুত্ব অপরিসীম। ক্ষত নিরাময় করতে এই তেলের গুরুত্ব অনেক বেশি ক্ষত স্থানে আপনি এই তেল মালিশ করলে দ্রুত আরোগ্য লাভ করা সম্ভব। 

গর্ভবতী মায়েরা গর্ভকালীন যে দাগ পেটের উপরে পড়ে সে দাগ মালিশ করলে সে দাগ ধীরে ধীরে উঠে যায়। ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে এই তেলের ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে এবং ত্বকের ইনফেকশন দূর করতে এই তেল বেশ কার্যকর। 

ত্বকের ইনফেকশন দূর করতে এই তেল ব্যবহার করতে পারেন। বার্ধক্য জনিত সমস্যায় আমরা ভুগে থাকি প্রতিনিয়ত এই তেল ব্যবহারের ফলে বার্ধক্য জনিত সমস্যা দূর করা সম্ভব বয়সের ছাপ দূর হয়।
  • রোদে পোড়া থেকে রক্ষা করে
  • চোখের কালো দাগ দূর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে
  • ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়ক
  • তোকে বয়সের ছাপ বা ভাঁজ পড়া থেকে রক্ষা করে
  • চুল পড়া রোধ করে
  • খুশকির জন্য প্রতিশোধক হিসেবে কাজ করে
  • ত্বক ফাটা রোধ করতে সহায়ক
  • ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে থাকে
  • ত্বকের রুক্ষতা দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সহায়ক

জয়তুন তেলের মালিশ-১০০% কার্যকর

জয়তুন তেল শরীরে মেসেজের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। শরীরে ব্যথা বেদ না থাকলে জয়তুন তেল মালিশের মাধ্যম দিয়ে ব্যথা বেদনা দূর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখেন। তাই বিভিন্ন মেসেজ সেন্টারে যে তেল দিয়ে মেসেজ করে থাকে সেখানে জয়তুন তেল ব্যবহার হয়ে থাকে। 

এই তেল ত্বকের জন্য যেমন উপকারী তেমনি সেই তেল দিয়ে মালিশ করলে শরীরের নানান ধরনের ত্বকের সমস্যা দূর হয়।

জয়তুন তেলের চুলের উপকারিতা-জেনে নিন দারুন কার্যকর

জয়তুন তেল মাথায় মেসেজ করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। চুলের যত্নে জইতুন তেল ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী। চুলকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে এর জুরি মেলা ভার। এতে চুলের গোড়া মজবুত হয় চুল পড়া বন্ধ হয় চুল সিল্কি ও সুন্দর হয়। 

দাঁড়ির মধ্যে এবং চুলের মধ্যে জয়তুন তেল ব্যবহার করলে দাড়ি সহজে পাকে না। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুল এবং দাড়িতে জয়তুন তেল ব্যবহার করতেন। বিশ্বনবী চুলের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য জয়তুন তেল ব্যবহার করতেন। 

জয়তুন তেল সাধারণ তেলের মত নয় এটা ত্বকে যেমন মালিশ করা যায় তেমনি খাওয়া যায়। পাশাপাশি মালিশ করা যায় যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। আপনি যদি ত্বকে তেল ব্যবহার করেন তাহলে ত্বকের কুঁচকানো ভাব দূর হয়।

ত্বকের জন্য কোন অলিভ অয়েল ভালো-জেনে নেওয়া যাক

ভেষজ গুনে ভরপুর অলিভ বা জলপাই ফলের নির্যাস বা তেলকে তরল সোনা বলেও আখ্যায়িত করা হয়। যুগ যুগ ধরে এই তেল রান্না ছাড়াও ঘরোয়া চিকিৎসার নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। রূপচর্চার ক্ষেত্রেও অলিভ অয়েল অত্যন্ত কার্যকরী।

ত্বকের যত্নে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেল অনেক বেশি ভালো। ত্বককে উজ্জ্বল করতে এই তেল বেশ কার্যকর। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল তেল দিয়ে মুখে মেসেজ করলে মুখ নরম কোমল ও উজ্জ্বল হবে। মেকআপ রিমুভার হিসেবে এই তেল ব্যবহার করা হয়।

পরিশেষে

প্রিয় বন্ধুগণ আপনারা যদি এই আর্টিকেলটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই অলিভ অয়েল তেল সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে পেরেছেন এবং আমি আশা করি আপনারা উপকৃত হয়েছেন। 

যদি কিছুটা উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই এই আর্টিকেলটি সকলের সাথে শেয়ার করবেন। এ ধরনের আর্টিকেল সম্পর্কে জানতে আমাদের ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করতে থাকুন। আবার দেখা হবে নতুন কোন আর্টিকেলে অবশ্যই সে পর্যন্ত আমাদের পাশেই থাকুন। 

সবশেষে আমি আপনার এবং আপনার পরিবারের মঙ্গল কামনা করে আজকের মত এখানে শেষ করছি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url