ট্যাটু কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর জেনে নেওয়া যাক | Rahul IT BD

ট্যাটু কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর জেনে নেওয়া যাক

পাঠক আজকের এই আর্টিকেলে ট্যাটু কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর, শরীরের স্থায়ী ট্যাটু তৈরি করলে কি ক্ষতি হতে পারে, ট্যাটু কি শরীরের জন্য ভালো না খারাপ, শরীরের ট্যাটু থাকলে কি নামাজ হবে ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
ট্যাটু কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর
আপনারা যারা এ ধরনের বিষয় নিয়ে জানতে চান তারা এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন। তাই এ সম্পর্কে যারা জানতে আগ্রহী তাদেরকে আজকের আর্টিকেলে স্বাগতম।

ভূমিকা

প্রিয় বন্ধুগণ আমাদের অনেকেই শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ট্যাটু করে থাকেন। ট্যাটু করা বর্তমান সময়ে একটি ফ্যাশন। তবে ট্যাটু করলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। দেখা দিতে পারে আপনারা এই বিষয় সম্পর্কে জানতে অনেকেই ইন্টারনেটে সার্চ করে থাকেন।

আজকের এই পোস্টটি সে সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য প্রদান করেছে। আশা করছি আপনাদের কাছে আজকের আর্টিকেলটা অনেক বেশি ইনফরমেটিভ হবে। সুতরাং প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়তে থাকুন।

ট্যাটু কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর জেনে নেওয়া যাক

ট্যাটু ও পেয়ারসিং অনেকের কাছেই আকর্ষণীয়। কিন্তু ত্বক বা শরীরের ওপর এমন হস্তক্ষেপ সবসময় ভালো নাও হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মানার পরামর্শ দিয়েছেন তাই ভালোভাবে ভেবেচিন্তে ট্যাটু করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। 

অত্যন্ত চিকন সুচ রংয়ের পিগমেন্ট ত্বকের নিচে চালান করে দেয়। এভাবে স্থায়ী ট্যাটু বা উলকি সৃষ্টি হয়। একেবারে নিশ্চিত হয়ে ট্যাটু তৈরি করতে হবে পছন্দ না হলে এটি ফেরতের কোন অপশন নেই। তাই সত্যি নিশ্চিত হয়ে এটি করতে হবে। তবে অধিকাংশ ডাক্তাররাই বিষয়টাকে ভালো চোখে দেখেন না। 

কারণটা একটু তৈরি করার ফলে তোকে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। ট্যাটু তৈরি করার সময় শরীরের ওপর ছুরি চালানো হয় যা ত্বকের জন্য খুবই মারাত্মক। অর্থাৎ সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে তাছাড়া এলার্জি হতে পারে। 

এর ফলে হেপাটাইটিস বি বা সি এর মত মারাত্মক রোগ গুলো আক্রমণ করতে পারে। যে কারণে ট্যাটু করার সময় স্বাস্থ্যবিধে মেনে চলা আবশ্যক। পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কিনা সেদিকে নজর দিতে হবে। একদিন আগেই মধ্যপান বন্ধ করতে হবে। 

একেবারে ক্ষুধার্ত অবস্থায় এটা করা যাবে না। ট্যাটু করতে দীর্ঘ সময় লাগে তাই এক্ষেত্রে ভরা পেটে করালে ভালো। ট্যাটু করাতে গেলে দুই থেকে তিন ঘন্টা সময় লাগে। তাছাড়া এটা করাতে গেলে যে ব্যাথা লাগে সে সম্পর্কে আগে থেকেই সচেতন হতে হবে।

শরীরে স্থায়ী ট্যাটু তৈরি করলে কী ত্বকের কোন ক্ষতি হতে পারে জানুন

শরীরের স্থায়ী ট্যাটু তৈরি করার আগে ভাবতে হবে এটা ত্বকের জন্য কোন ক্ষতি হতে পারে কিনা । আগে ছিল উল্কি যা এখন হয়েছে ট্যাটু। এই ট্যাটু তৈরি করা ফ্যাশন জগতে বেশ জনপ্রিয়। বড় বড় অভিনেতা থেকে খেলোয়াড়, অনেকে ট্যাটুতে মজেছেন। 

তবে ট্যাটু করালেই তো হবে না তার সঙ্গে যে শরীরে নানা ধরনের রোগ ও এসে জুড়ে বুঝতে পারে তা জানা দরকার। চিকিৎসকদের মতে, বেশিরভাগ মানুষেরই ধারণা নেই ট্যাটু আকার রঙ্গে আর্সেনিক, বেরিলিয়াম, ক্যাডমিয়াম, পারদ, সিসার মত অনেক যৌগ উপাদান থাকে। 

যা হার্ট, লিভার, ফুসফুস, কিডনি ক্ষতি করে থাকে। তাই স্থায়ীভাবে শরীরের ট্যাটু করার আগে জেনে রাখতে হবে সেখান থেকে কি ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

* সংক্রমণ-ট্যাটু করার সময় যথাযথ পরিচ্ছন্নতা নিয়ম মেনে না চললে নানারকম সংক্রমণ হতে পারে। শুধু তাই নয় ট্যাটু করার সূচ থেকেও শরীরে নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে পারে।

* এলার্জির সমস্যা-ট্যাটু থেকে অনেকেরই ত্বকে এলার্জি হতে পারে। ্যাটুর রঙে থাকা বিভিন্ন ধাতু থেকে ‍রাশ হতে পারে ট্যাটু করার জায়গা ফুলে লাল হয়ে সেখান থেকে চুলকানিও হতে পারে।

* রক্তবাহিত রোগ-যেহেতু সূচের সাহায্যে দেহের বিভিন্ন নকশা ফুটিয়ে তোলা হয় তাই এর সঙ্গে রক্তবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাটাও রয়েছে। ট্যাটু করার সময় যন্ত্রপাতি যদি পরিষ্কার করা না হয় সেক্ষেত্রে হেপাটাইটিস বি, সি এবং এইচআইভির মত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

ট্যাটু কি শরীরের জন্য ভালো, না খারাপ? কেন? জেনে নিন

ইংরেজি ট্যাটু শব্দের বাংলা অর্থ উলকি। । আরবিতে বলা হয় আল -ওয়াসম। মানব দেহের ত্বকে সুই বা এজাতীয় কোন কিছু দিয়ে ক্ষত করে বাহারি রঙে নকশা করার নামই উল্কি বা ট্যাটু। ট্যাটু সাধারণত স্থায়ী হয়, অথবা সহজে মুছে ফেলা যায় না। তাই ট্যাটু করা ভালো না বরং শরীরের জন্য খারাপ। উলকি আঁকা বর্তমান সময়ে ফ্যাশনে দাঁড়িয়ে গেছে। অনেক লোকের জন্য ট্যাটু করা তাদের চিন্তা ভাবনা বিশ্বাস এবং দর্শনকে সুনির্দিষ্ট করার একটি উপায়। অন্যান্য লোকেরা তাদের জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ প্রদর্শন করতে বা প্রিয়জনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ট্যাটু করে থাকে।

এই ট্যাটু করা মানুষের কাছে ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন চিত্রশিল্পী, গায়ক ও খেলোয়ার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নানা রঙ ও বর্ণের বিভিন্ন ধরনের উলকি কিংবা ট্যাটু দেখা যায়।প্রতি বছর সারা বিশ্ব জুড়ে অসংখ্য মানুষ টাটু করে থাকে এবং এদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোক ব্যক্তিগত কারণে তাদের শরীরে ট্যাটুগুলোকে রিমুভ করতে চায়।

ট্যাটু তৈরি করার জন্য রং ব্যবহার করা হয় যা ভয়ংকর রাসায়নিক পদার্থ থেকে তৈরি হয়। এটি তৈরির ক্ষেত্রে যে রং ব্যবহার করা হয় অত্যন্ত ভয়ংকর। এ রঙে এমন কিছু রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা কোন প্রাণীর ওপর ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ। এর মধ্যে একটি পদার্থের নাম অ্যাজো ডাই। 

রংটি এমনিতে কোন ক্ষতি করবে না কিন্তু অন্য কোন কিছুর সংস্পর্শে আসলে তা হবে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এর মধ্যে আরো অনেক রাসায়নিক পদার্থ আছে যা ব্যবহারে কোন নিষেধ নেই কিন্তু কোন অবস্থাতেই তা মানবদেহে ব্যবহার করা যাবে না। 

একজন বিশেষজ্ঞ জানান এই পদার্থগুলো বাজারে পাওয়া যায় কারণ এগুলো প্লাস্টিক বা কঠিন পদার্থের ওপর প্রয়োগ করা যায়। গাড়ির রং বা দেয়ালের রং এ ব্যবহার করা যায় তাই সমস্যা এখানেই এই পদার্থগুলো মানবদেহে ঢুকে কি কি ক্ষতি করতে পারে তা নিরূপণ করা সম্ভব নয়। 

ট্যাটুর আড়ালে ঢাকা পড়তে পারে স্কিন ক্যান্সার। ট্যাটুর কালি তিলের পরিবর্তনগুলো খুব সহজে আড়াল করে ফেলতে পারে ফলে পরবর্তীতে কোন রোগ নির্ণয় করা চিকিৎসকদের জন্য মুশকিল হয়ে পড়ে। কালিটি শরীরের গভীরে টিসু গুলোতে ছড়িয়ে যেতে পারে। 

যার ফলে মেটা স্ট্যাটিক মেলানোমার বিস্তার সাদৃশ্য হতে পারে। ট্যাটু আমাদের শরীর ঘামানোর প্রক্রিয়াতে ব্যাঘাত ঘটায়। একজন মানুষ সাধারণত দৈনিক যে পরিমাণ ঘামায় তার চেয়ে ৫০% কম ঘামায় ট্যাটু আঁকানোর শরীরে। 

ঘাম হওয়া শরীরের অন্যান্য স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মত একটি প্রক্রিয়া। ঘাম আমাদের শরীরের অভ্যন্তরের ক্ষতিকর তরল বর্জ্য গুলো বের করে দেয়।

ট্যাটু যুক্ত ত্বক থেকে নির্গত ঘামে থাকা সোডিয়াম তুলনামূলক বেশি ঘনীভূত অবস্থায় থাকে। আমাদের ত্বক সাধারণত ঘামের সাথে বের হওয়া সোডিয়াম এবং ইলেকট্রোলাইট গুলো পুনরায় শোষণ করে নেয়। কিন্তু উলকি করা ত্বকে এই শোষণ প্রক্রিয়া সম্ভব হয় না। 

কারণ শোষণ প্রক্রিয়ার ছিদ্রগুলো অবরুদ্ধ থাকে। এজন্য ইসলাম এত আগে বলা হয়েছে শরীরে কোন ট্যাটু বা এই টাইপ জিনিস না করতে।

শরীরে ট্যাটু আঁকা কি জায়েজ জানতে পোস্ট পড়ুন

উলকি বা ট্যাটু হল শরীরের চামড়া সুই বা এ জাতীয় কোন কিছু দিয়ে ক্ষত করে তাতে বাহারি রং দিয়ে নকশা করা। এ ধরনের ট্যাটু বা উলকি সাধারণত স্থায়ী হয়ে থাকে এবং সহজে উঠানো যায় না। 

এই ট্যাটু করা মানুষের কাছে ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন চিত্রশিল্পী, গায়ক ও খেলোয়ার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নানা রঙ ও বর্ণের বিভিন্ন ধরনের উলকি কিংবা ট্যাটু দেখা যায়।

আল্লাহ মানুষকে সবচেয়ে সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তায়ালা কোরআনে বলেন,‘‘নিশ্চয়ই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি শ্রেষ্ঠতম -সুন্দর  আকৃতিতে।’’ আল্লাহর দেয়া আকৃতিকে বিকৃতি করার অধিকার আমাদের নেই । 

এজন্য ইসলামে ট্যাটু করাকে সম্পূর্ণরূপে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। কুরআন-হাদিসে ট্যাটু করতে নিষেধ করা হয়েছে। ট্যাটুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইক অভিশপ্ত বলা হয়েছে। মানুষকে অসংখ্য গুনাহে লিপ্ত করে।

ট্যাটুতে বিভিন্ন প্রাণীর ছবি আঁকা হয়, যা বড় গুনাহের কাজ। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,‘যারা প্রাণীর ছবি আঁকে, তাদেরকে কেয়ামতের দিন শাস্তি দেওয়া হবে। এবং তাদের বলা হবে, তোমরা যা সৃষ্টি করেছিলে তাদের আত্মা ও জীবন দাও’। 

একইভাবে ট্যাটু করতে গিয়ে পর্দা লঙ্ঘিত হয়, তাও বড় গুনাহের কাজ। এছাড়া নারী-পুরুষের শরীরের যে অংশ ঢেকে রাখা আবশ্যক, তাতে ট্যাটু করে মানুষকে দেখিয়ে বেড়ানো আরো বড় গুনাহের কাজ।
ট্যাটুর কারণে ত্বকে পানি পৌঁছাতে বাধার সৃষ্টি হলে ওযু-গোসল শুদ্ধ হবে না। 

ফলে যতদিন ট্যাটু থাকবে, ততদিন ওযু -গোসল আদায় হবে না। একইভাবে অস্থায়ী আঁকা জোগার কারণে ও পানি পৌছাতে না পারলেও অজু গোসল শুদ্ধ হবে না।

শরীরে ট্যাটু থাকলে কি নামাজ হবে এই সম্পর্কে জেনে নিন

ট্যাটু একটি বিধর্মীদের কালচার। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে মুসলমানরা বিধর্মীদের অনুসরণ করে নিজের শরীরের ট্যাটু করে। নিজের শরীরের চামড়া পুড়ে পুড়ে বা অঙ্কন করে কোন আকৃতি দেওয়াকেই ট্যাটু বলা হয়। এতে মানুষের আকৃতির পরিবর্তন হয়। 

আর ইসলামে আল্লার সৃষ্টির আকৃতির পরিবর্তন করাকে সমর্থন করে না। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন‘‘আল্লাহ মানুষকে সর্বোত্তম আকৃতিতে তৈরি করেছেন’’।

ট্যাটুতে বিভিন্ন প্রাণীর ছবি আঁকা হয়, যা বড় গুনাহের কাজ। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,‘যারা প্রাণীর ছবি আঁকে, তাদেরকে কেয়ামতের দিন শাস্তি দেওয়া হবে। এবং তাদের বলা হবে, তোমরা যা সৃষ্টি করেছিলে তাদের আত্মা ও জীবন দাও’। 

একইভাবে ট্যাটু করতে গিয়ে পর্দা লঙ্ঘিত হয়, তাও বড় গুনাহের কাজ। এছাড়া নারী-পুরুষের শরীরের যে অংশ ঢেকে রাখা আবশ্যক, তাতে ট্যাটু করে মানুষকে দেখিয়ে বেড়ানো আরো বড় গুনাহের কাজ।
ট্যাটুর কারণে ত্বকে পানি পৌঁছাতে বাধার সৃষ্টি হলে ওযু-গোসল শুদ্ধ হবে না। 

ফলে যতদিন ট্যাটু থাকবে, ততদিন ওযু -গোসল আদায় হবে না। একইভাবে অস্থায়ী আঁকা জোগার কারণে ও পানি পৌছাতে না পারলেও অজু গোসল শুদ্ধ হবে না।

ট্যাটুর মাধ্যমে মানুষের শরীরের আকৃতির পরিবর্তন হয়। তাই ইসলামের সুস্পষ্ট ভাবে ট্যাটু করা হারাম। ট্যাটু শরীরের চামড়া পুড়ে পুড়ে করতে হয়। এতে মানুষের শরীরে ক্যান্সার হতে পারে। ফরজ গোসল আর ওযু ছাড়া কখনোই নামাজ হয় না। 

ট্যাটুর কারণে ওই স্থানে পানি ভালোভাবে পৌঁছায় না। ফলে ফরজ গোসল ওজু দুটোই থেকেই মাহরুম থাকে। যার ফলে নামাজ হয় না।

পরিশেষে

প্রিয় বন্ধুগণ আপনারা যারা এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছেন আমি আশা করি আপনারা শরীরে ট্যাটু করা কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর, শরীরে ট্যাটো করা সম্পর্কে ইসলামের বিধান ও ভয়াবহতা, শরীর ট্যাটু থাকলে কি নামাজ হবে ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেয়েছেন এবং উপকৃত হয়েছেন।

এ ধরনের আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করতে থাকুন। আবার দেখা হবে নতুন কোন আর্টিকেল নিয়ে সে পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকুন। সবশেষ আপনাদের সকলের মঙ্গল কামনা করে আজকের মত এখানে শেষ করছি। ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url