৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় দারুন কার্যকর | Rahul IT BD

৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় দারুন কার্যকর

প্রিয় পাঠক আজকের আর্টিকেলে ৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায়, চিকন হওয়ার উপায়, খুব তাড়াতাড়ি এবং ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকন হওয়ার উপায়, ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট এবং মেয়েদের চিকন হওয়ার সহজ উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায়
যারা এ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী তাদেরকে আজকের এই আর্টিকেলে স্বাগতম।

ভূমিকা

প্রিয় বন্ধুগণ আপনারা হয়তো অনেকেই অতিরিক্ত ওজন নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন। শরীরের ওজন কমানোর জন্য বিভিন্নভাবে আমরা চেষ্টা করে থাকি। 

এই পোস্টটিতে ওজন কমানোর বিভিন্ন দিক ও বিষয় নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোকপাত করা হয়েছে। সার্বিক বিষয়ে জানতে এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়তে থাকুন।

৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় দারুন কার্যকর

সত্যি বলতে কি, দ্রুত ওজন হ্রাস প্রত্যেকের স্বপ্ন। তবে, নিরাপদ উপায়ে লক্ষ্য অর্জনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই ব্লগে উল্লিখিত টিপস সঠিকভাবে অনুসরণ করে, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওজন হ্রাসের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন। নিয়মিত অনুশীলন ও উচিত ডায়েট মেনে চলুন, ফলাফল আপনাদের প্রেরণা যোগাবে।

Frequently Asked Questions For ৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায়

কি ধরনের ডায়েট ৭ দিনে ১০ কেজি হ্রাস করে?

নিম্ন ক্যালোরি ও লো-কার্ব ডায়েট দ্রুত ওজন হ্রাসে কার্যকর। পানীয় জল, টক ফলের রস, এবং সবজি স্থান পাবে। প্রচুর ফাইবার ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা আবশ্যক।

৭ দিনের ডায়েট প্ল্যানে কি কি খাবার থাকে?

এই ডায়েট প্ল্যানে ফল, সবজি, সালাদ, লিন প্রোটিন, এবং নিম্ন ক্যালোরি সুপ প্রধান। চিনি ও ময়দা যুক্ত খাবার এড়াতে হবে।

দ্রুত ওজন কমানো স্বাস্থ্যকর কি না?

দ্রুত ওজন কমানো কিছু ঝুঁকি বহন করে। শারীরিক দুর্বলতা, পুষ্টি অভাব, এবং মেটাবলিজমে স্থায়ী হ্রাস হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শুরু করা উচিত।

ওজন হ্রাসে আমাদের কর্মসূচি কেমন হবে?

শারিরীক ব্যায়াম, যোগ, বা হাই ইন্টেনসিটি ওয়ার্কআউট নিয়মিত অনুশীলন করা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, পর্যাপ্ত ঘুম ও স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট ওজন হ্রাসে সহায়ক


প্রিয় বন্ধুরা আমার প্রত্যেকেই আমাদের জীবনকে সুন্দর করতে চাই, আমাদের চলার পথকে সহজ করতে চাই আমরা সবাই অনেক পরিশ্রম করতে চাই কিন্তু আমরা স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন সমস্যার কারণে বা ওজন বেশি হওয়ার কারণে পরিশ্রম করতে পারি না। 

যার কারণে আমরা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থাকার পরেও নিজেকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনা। শরীরের ওজন এক্ষেত্রে অনেক ভূমিকা রাখে। 

শরীরের ওজন যদি আপনার অনেক বেশি হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবে আপনি স্বাভাবিক কাজকর্ম যে সময় ধরে করতে পারবেন, আর একজন ওজন স্বাভাবিক রয়েছে এমন মানুষ আপনার থেকে অনেক বেশি কাজ করতে পারবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে। তাই ফিটনেস থাকা খুবই জরুরী। 

ওজন বেড়ে গেলে যে কোন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বা ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। যাদের ওজন অনেক বেশি তারা কিন্তু নানান ধরনের মানসিক অশান্তিতে বা অসস্তিতে ভোগে। 

এর জন্য মানসিক শান্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আপনার শরীরকে এমন একটি ওজন মাত্রায় রাখতে হবে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে যাতে আপনি সবসময় এনার্জি ফিল করেন। 

দেখবেন যারা নিয়মিত এক্সারসাইজ করে বা জিমে গিয়ে এক্সারসাইজ করে তাদের শরীর অনেক স্লিম হয় তাদের ফিটনেস অনেক সুন্দর দেখায় তারা সহজেই যে কোন কাজ করে ফেলতে পারে। ফিটনেস আপনার কর্মদক্ষ থাকে আরো একধাপ এগিয়ে দেবে। 

বয়স এবং উচ্চতার সাথে ওজন সঠিক মাত্রায় রাখা অত্যন্ত জরুরী। অনেকেই ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের পন্থা অবলম্বন করেন যেটা স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয় ক্ষণস্থায়ীভাবে ওজন কমলেও দীর্ঘজী ভাবে তা কার্যকারী থাকে না। 

তাই আপনাকে সঠিক ডায়েট মেইনটেইনের মাধ্যমে এবং নিয়মিত এক্সারসাইজের মাধ্যমে সাত দিনের ১০ কেজি ওজন কমানো যায়। আপনাকে আপনার লাইফ স্টাইল চেঞ্জ করতে হবে যদি আপনার ওজন অনেক বেশি হয়ে থাকে। 

সব সময় এক্সারসাইজ করে ওজন কমবে ব্যাপারটা এমনও নয় কারণ আপনি এক্সারসাইজ করলেন আর বাকি সারাটা দিন বাইরের ফাস্টফুডের খাওয়ার হেলদি নয় এমন খাবার গ্রহণ করলে আপনার স্বাস্থ্য কখনো কমবে না। শর্করা জাতীয় খাবার খুবই কম গ্রহণ করতে হবে। 

তাহলে দ্রুত আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে যাদের ওজন অনেক বেশি তারা সব সময় চিন্তা করে কিভাবে ওজন কমানো যায়। 

তাদের মনে অনেক শখ যে বডি বিল্ডারের মত আমাদের বডি কবে হবে কিভাবে বানাবো কিন্তু তার জন্য যে অনেক পরিশ্রম আর অনেক কষ্ট করে বডিকে ফিটনেসিনে আসতে হবে সেই ব্যাপারে তাদের অনেক গোড়ামী রয়েছে। 

তাই সত্যিই আপনি যদি চান আপনার স্বাস্থ্যকে আপনার উচ্চতা বয়স অনুযায়ী সঠিক মাত্রায় নিয়ে আসবেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার লাইফ স্টাইল এর মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তাহলে সাত দিনের ১০ কেজি ওজন কমানো সম্ভব এটা এমন কঠিন কোন ব্যাপার নয়। 

খাবার গ্রহণের সময় খুবই সামান্য পরিমাণ খাবার গ্রহণ করা উচিত ক্যালরিযুক্ত খাবার গুলো খাবারে তালিকায় কমিয়ে দিতে হবে নিয়মিত এক্সারসাইজ করতে হবে সঠিক সময়ে খাবার গ্রহণ করা উচিত এবং প্রতিদিন কমপক্ষে সাত থেকে আট ঘন্টা ঘুমানো উচিত। 

তাহলে আপনার ওজন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কমে যাবে। অবশ্য এক্ষেত্রে আপনার ঘুমটা অনেক ফ্রেশ হওয়া চাই। কারণ ফ্রেশ ঘুম ছাড়া শরীরের জন্য মোটেও উপকারী হবে না। আপনি যে পেশায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন না কেন আপনাকে অবশ্যই চিন্তামুক্ত থাকতে হবে। 

ওজন কমাতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই টেনশন ফ্রি থাকতে হবে কিন্তু টেনশন মুক্ত না থাকেন তাহলে আপনার ওজন স্বাভাবিকভাবেই কমবে না। তাই আপনি অল্প সময়ের মধ্যে সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ওজন কমাতে চাইলে আপনাকে চিন্তা মুক্ত থাকতে হবে। 

আরেকটা বিষয় হলো কি কারনে আপনার ওজন বেড়ে গেছে বা কি খাবার গ্রহণ করেন বা আপনি কি শুধু খেতেই পছন্দ করেন খেলাধুলা বা এক্সারসাইজ করতে ভালো লাগেনা এ সমস্ত বিষয় গুলো আপনাকে আইডেন্টিফাই করতে হবে। 

যে কেন আমার ওজনটা বেড়ে গেছে বা বাড়ে আপনি যদি এগুলো আইডেন্টিফাই করতে পারেন তাহলে আপনি নিজেই পারবেন যেগুলোর কারণে আপনার ওজন বেড়েছে সেগুলো যদি আপনি এভয়েড করতে পারেন তাহলে আপনার ওজন অটোমেটিকলি কমে যাবে। 

তাই সঠিক লাইফস্টাইল এর মাধ্যমে সাত দিনের ১০ কেজি ওজন কমানো সম্ভব কিছু নয়। আপনার শুধু ইচ্ছাশক্তি থাকতে হবে এবং চেষ্টা থাকতে হবে তাহলেই সম্ভব।

প্রিয় বন্ধুরা ৭ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় ব্যাপারটা আশ্চর্যজনক মনে হলেও একেবারে অসম্ভব তা কিন্তু নয়। সত্যিই আপনি যদি এমনটাই করতে চান তাহলে আপনাকে এই সাত দিন খুব পরিশ্রম করতে হবে প্রচুর এক্সারসাইজ করতে হবে। 

পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত সুন্দর একটি ডায়েট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চলতে হবে। আপনি যদি আইডেন্টিফাই করতে পারেন কি কারনে আপনার ওজনটা বেড়েছে সেগুলো প্রথমেই পরিত্যাগ করতে হবে, খুব কঠিন ভাবে পরিত্যাগ করতে হবে। 

আমরা আসলে অনেক কিছু করতে চাই কিন্তু মানতে চাই না। আমাদের নিজের অসচেতনতার কারণে আমাদের শরীরের ওজন বৃদ্ধি পেয়েছে, কমাতে চাই কিন্তু যখন কমানোর উপায় গুলো জানি তখন আর মানতে চায় না, অলসতা আর অবহেলা যাই হোক না কেন পরিশ্রম না করলে সফলতা আসে না। 

 যদি নিচের এই অভ্যাসগুলো আপনি আপনার লাইফস্টাইলে যোগ করতে পারেন তাহলে আপনি ধীরে ধীরে আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন। অর্থাৎ অল্প কয়েকদিনে আপনার ওজন ১০ কেজি কমে আসবে।
  • খাবার খুব সামান্য পরিমাণ গ্রহণ করবেন
  • প্রতিদিন এক্সারসাইজ করবেন খেলাধুলা করবেন
  • বিশেষ করে দিনের মধ্যে ঘুমাবেন না
  • খাবারের তালিকায় প্রতিদিন শাকসবজি রাখুন
  • প্রতিদিন সকালে খালি পেটে লেবু পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন
  • পরিমাণ মতো পানি পান করুন
  • দুই থেকে তিন বার রসুন খাওয়ার অভ্যাস করুন প্রতিদিন সকালে
  • ক্যালোরি ও কার্বোহাইড্রেট খাবার সামান্য খাওয়ার চেষ্টা করুন

চিকন হওয়ার উপায় কি? বিস্তারিত জেনে নিন

চিকন হওয়ার অনেক উপায় রয়েছে আপনার কাছে যেটি সুবিধা মনে হয় সেটিও গ্রহণ করতে পারেন আপনি যদি মনে করেন যে আপনার হাতে প্রচুর সময় রয়েছে তাহলে আপনি নিয়মিত বাইরে হাঁটাহাঁটি করার অভ্যাস গড়ে তুলুন সাইকেলিং করুন। 

আপনার শরীরে প্রচুর মেদ থাকলে, আর আপনি যদি নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন তাহলে আপনার শরীর থেকে ঘাম ঝরবে আপনার চর্বি গলে যাবে, ধীরে ধীরে আপনি চিকন হতে শুরু করবেন। সুন্দর একটি শরীর গঠন সবাই করতে চাই কিন্তু এটা তো আর এমনি এমনি হবে না। 

এর জন্য সাধনার প্রয়োজন, আপনাকে প্রতিনিয়ত খাবার মেনটেন করতে হবে যে সমস্ত খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট বা প্রচুর ক্যালরি রয়েছে সে সমস্ত খাবার গুলো সামান্য গ্রহণ করতে হবে। 

পাশাপাশি নিয়মিত এক্সারসাইজ করতে হবে এই উভয়ের সমন্বয়ে আপনি ধীরে ধীরে চিকন হতে পারবেন এবং আপনার বাড়তি ওজন ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে।

কিভাবে চিকন হওয়া যায়?-জেনে নিন শতভাগ কার্যকর

বন্ধুগণ আমাদের যাদের শরীর অনেক বেশি ওজন রয়েছে স্বাভাবিকভাবেই আমরা খুব চিন্তিত থাকি। আমাদের শরীরের ওজন যখন স্বাভাবিকভাবে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তখন আমরা খুব একটা সচেতন হই না। 

আমরা তখনই সচেতন হই যখন আমরা বেকায়দায় পড়ে যাই, অর্থাৎ অতিরিক্ত চর্বি জমে গেছে শরীরে, শরীরে এনার্জি নেই, শক্তি কমে আসছে এরকম সময় আপনাদের মনে হয় শরীরের ওজন কমাতে হবে তা না হলে এনার্জি হারিয়ে ফেলেছি। 

তখন আমরা সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করি কিভাবে ওজন কমানো যায় তার উপায় বের করার, চেষ্টা করি খোঁজার এবং জানার চেষ্টা করি। স্বাভাবিকভাবে যে সমস্ত খাবার আমরা গ্রহণ করি ঘরে এবং বাইরে আমাদের মনে রাখতে হবে সে সমস্ত খাবার গুলোর মধ্যে প্রচুর ফ্যাট রয়েছে প্রচুর ক্যালরি রয়েছে। 

এই সমস্ত খাবারগুলো এভোয়েড করা বা সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করা, তাহলে আমাদের শরীরের অতিরিক্ত ওজন স্বাভাবিকভাবে দেখা যাবে না। খাবারের ক্ষেত্রে কিছু খাবার মেনে চলা উচিত যেগুলোকে এভোয়েড করতে হবে বা সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে। 

এর পাশাপাশি আমরা নিয়মিত এক্সারসাইজ করার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি। আমাদের ওজন কমাতে ব্যর্থতার পিছনে বড় কারণ হচ্ছে অলসত। আমরা যদি নিয়মিত দৌড়াদৌড়ি করি, সাইকেলিং করি আপনি একটু সময় পেলে হাটাহাটি করুন, সাইকেলিং করুন। 

যাদের বাইরে যাওয়ার সময় নেই তারা চাইলে বাসার ভিতরে ট্রেডমিল নিয়ে হাটাহাটি করতে পারেন, বাই স্পিনিং বাইক কিনে সাইকেলিং করতে পারেন, এক কথায় আপনাকে এটা যেভাবে হোক করতে হবে তা না হলে আপনি আপনার শরীরের যত্ন নিতে পারবেন না। 

সাথে কয়েকটা দিন সাঁতার কাটার অভ্যাস করে তুলুন, সাঁতার কাটা খুব ভালো একটি ব্যায়াম যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আপনি যদি নিয়মিত খাবার মেনটেইন করেন বা ডায়েট মেনে চলেন। 

পাশাপাশি নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন তাহলে আপনার শরীরের ওজন যেমনই হোক না কেন আপনার ওজন কমতে বা চিকন হওয়াটা সময়ের ব্যাপার।

খুব তাড়াতাড়ি চিকন হওয়ার উপায়-সম্পর্কে জেনে নিন

প্রিয় বন্ধুগণ আমাদের যখন খুব বেশি ওজন বেড়ে যায় আমরা স্বাভাবিকভাবেই চিন্তাই পড়ে যায়। কিন্তু আমরা প্রথম থেকেই যদি শরীরের যত্নটা নিতে থাকি তাহলে এরকম অস্বাভাবিক ওজন বাড়বে না।। 

যখন ওজন অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়ে যায় তখন আমাদের টনক এবং আমরা তাড়াহুড়া করি, কি করে ওজন কমানো যায় খুব তাড়াতাড়ি। 

সবকিছু আসলে এত সহজে হয় না। আপনাকে এর জন্য অনেক কিছু মেন্টেন করতে হবে, খাবার মেনটেন করতে হবে আপনার লাইফস্টাইল এর পরিবর্তে নিয়ে আসতে হবে রীতিমতো তার জন্য আপনাকে যুদ্ধ করতে হবে। তবেই আপনি সফল হতে পারবেন। 

দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে সর্বপ্রথম আপনাকে জানতে হবে যে মানুষ কি কারনে মোটা হয় বা কি কারনে ওজনটা বেড়ে যায়। আপনি একটু খেয়াল করে দেখেন যে সমস্ত কারণে ওজনটা বেড়েছে ঠিক ঐ সমস্ত কারণগুলোই যদি আপনি মেনে চলেন। 

অর্থাৎ আপনার লাইফ স্টাইল যেমন হওয়ার কারণে ওজনটা বেড়েছে সেগুলো বাদ দিয়ে আপনি আপনার লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করে দেখেন আপনার ওজন ধীরে ধীরে কমে যাবে।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকন হওয়ার উপায়-জেনে নিন দারুণ কার্যকর

প্রিয় বন্ধুগণ আপনি যদি চিকন হতে চান তাহলে ঘরোয়া কিছু উপায় রয়েছে সে উপায়গুলোর মাধ্যমে আপনি ঘরোয়া পরিবেশে চিকন হতে পারবেন। এজন্য আপনাকে কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে, আপনার লাইফ স্টাইল যদি খুব বাজে হয়, তবে সে ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হবে। 

তা না হলে আসলে এটা সম্ভব নয়। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দুই থেকে তিন কোয়া রসুন চিবিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন বা অভ্যাস করুন। পরিমাণ মতো পানি পান করুন যার কারণে আপনার কিডনি ভাল থাকবে। 

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে হালকা গরম পানি মধ্যে লেবুর রস মিশে খাওয়ার অভ্যাস করুন আপনার অতিরিক্ত চর্বি বা বাজে চর্বি কাটতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। কার্বোহাইড্রেট এবং ক্যালরিযুক্ত খাবার খুব কম পরিমাণ গ্রহণ করবেন। 

খাবারের তালিকায় প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি রাখুন। শাকসবজি দিয়ে আপনি আপনার পেট ভরানোর চেষ্টা করুন। প্রতিদিন ঘরে অথবা বাইরে কমপক্ষে ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করুন যা আপনার মন ও শরীরকে চাঙ্গা রাখতে প্রাণবন্ত রাখতে সয়েব ভূমিকা রাখবে। 

আপনি নিয়মিত আপনার লাইফস্টাইলে এ ধরনের অভ্যাস রাখতে পারলে ধীরে ধীরে আপনার শরীরের বাজে চর্বি ঝরতে শুরু করবে এবং আপনি চিকন হয়ে উঠবেন।

২০ কেজি ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট-সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে আমরা অনেকেই ডায়েট স্যাট ফলো করে থাকি। আমরা অনেকেই ডায়েট মেইনটেইন করতে পারি না, বিশেষ করে যাদের ওজন খুব বেশি প্রথমে চিন্তা করে ওজন কমাতেই হবে কিছুদিন মেন্টেন করি তারপরে আবার যা তাই। 

ওজন কমাতে চাইলে আপনাকে পরিমাণ মতো সুষম খাবার পূরণ করতে হবে আর এই পরিমাণ মতো সুষম খাবার গ্রহণ করার নামই হলো ডায়েট। প্রিয় বন্ধুগণ আপনাকে প্রথমে একটি স্বাস্থ্যসম্মত ডায়েট চার্ট তৈরি করে নিতে হবে। 

আপনি এর জন্য ইন্টারনেটের সার্চ দিয়ে ডায়েট চার্ট কালেকশন করতে পারেন অথবা কোন এক্সপার্টের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েও সেটা করতে পারেন, মূল কথা আপনাকে স্বাস্থ্যসম্মত ডায়েট চার্ট মেইনটেইন করতে হবে। যা আপনাকে রাখবে প্রাণবন্ত এবং সুস্থ ।
  • একেবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন
  • শর্করা জাতীয় খাবার পেট ভরে না খাওয়াই ভালো, শাকসবজি খেয়ে পেট ভরানোর চেষ্টা করবেন
  • ফল খেলে খোসা খাওয়ার চেষ্টা করবেন
  • মাংস খেতে চাইলে চর্বি অংশ বাদ দিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন
  • তেলেভাজা খাবার সম্পূর্ণ বর্জন করুন
  • ফাস্টফুড জাতীয় খাদ্য পরিত্যাগ করুন
  • পানি পরিমাণ মতো পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন
  • নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করার অভ্যাস করুন

মেয়েদের চিকন হওয়ার সহজ উপায় জেনে নিন

মেয়েদের মোটা শরীর কিভাবে চিকন করা যায় সে সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেল আলোচনা করব এ পর্বে। আপনি ঘরোয়া পদ্ধতিতে বাড়িতে বসে এক ধরনের ড্রিং তৈরি করবেন যে ড্রিঙ্ক পান করার মাধ্যমে আপনার পেটের চর্বি, থাইয়ের চর্বি এগুলো কমতে শুরু করবে। 

আপনি যদি টানা কয়েকদিন এভাবে ব্যবহার করতে থাকেন তাহলে তার উপকার নিজেই উপলব্ধি করতে পারবেন। এই ড্রিংক পানের মাধ্যমে আপনার চর্বি মোমের মত গলতে শুরু করবে। এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 

তাই নিশ্চিন্তে ঘরে বানিয়ে এই ড্রিঙ্ক পানের মাধ্যমে আপনি আপনার ওজন কমিয়ে নিতে পারেন খুব সহজেই। এই ড্রিংসটি তৈরির জন্য সবার প্রথমে আপনাকে একটি দেশি আদা নিতে হবে বিশেষ করে যে আদায় প্রচুর ঝাঁজ রয়েছে সে আদা সংগ্রহ করবেন। 

তারপরে ভালো করে আদা চামড়া ছিলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে কুচিকুচি করে কেটে নেবেন। এরপরে এই আদা কুচি একটি পাত্রে রাখবেন এটার মধ্যে কয়েক চামচ দুই থেকে তিন চামচ জিরা নিতে হবে, জিরার পানি শরীর থেকে বাজে কোলেস্টেরল দূর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। 

এরপরে কিছু লবঙ্গ দিয়ে, কিছু পানি দিয়ে চুলোতে গরম করতে হবে, এর মধ্যে সামান্য কিছু পরিমাণ লবণ দিতে পারেন, ভালো করে ফুটিয়ে নেওয়ার পরে এই মিশ্রণটি একটি গ্লাসে ছাকনি দিয়ে ছেকে ঢেলে নিতে হবে। 

গ্লাসে ঢেলে নেওয়ার পরে হালকা গরম থাকা অবস্থাতে এর সাথে সামান্য পরিমাণে মধু যোগ করতে হবে, তারপরে একটি লেবুর অর্ধেক পরিমাণ লেবুর ভালো করে চিপে রস এর সাথে মিশিয়ে নিতে হবে ভালো করে, এ মিশ্রণটি ভালোভাবে মিক্স করতে হবে। 

এই মিশ্রণটি হালকা গরম থাকা অবস্থাতে খেয়ে নিতে হবে, আপনি ঘরে বসে নিয়মিত টানা ১০ দিন এভাবে খেলে আপনার ওজন অস্বাভাবিকভাবে কমতে শুরু করবে, যা দেখে আপনি নিজেই আশ্চর্য হবেন।

পরিশেষে

প্রিয় বন্ধুগণ আজকের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যারা মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন তারা অবশ্যই এ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন পাশাপাশি উপকৃত হয়েছেন। 

এ ধরনের আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করতে থাকুন। সবশেষে আপনাদের সকলের মঙ্গল কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url