বাচ্চাদের মাখন খাওয়ার নিয়ম জেনে নিন | Rahul IT BD

বাচ্চাদের মাখন খাওয়ার নিয়ম জেনে নিন

প্রিয় পাঠক আপনি কি বাচ্চাদের মাখন খাওয়ার নিয়ম, মাখন খাওয়ার উপকারিতা এবং মাখন তৈরি করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আপনি অবশ্যই একেবারে সঠিক জায়গাতে ক্লিক করেছেন। আপনি যদি বাচ্চাদের মাখন খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে না জেনে থাকেন, তাহলে পোস্টটি সম্পন্ন পড়ুন।
বাচ্চাদের মাখন খাওয়ার নিয়ম
আর জেনে নিন বাচ্চাদের মাখন তৈরি করার নিয়ম। আপনি যদি এই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়েন আমি আশা করি আপনি উপকৃত হবেন। তাই আর কথা না বাড়িয়ে এর নিয়ম সম্পর্কে জানতে পোষ্টটি পড়তে থাকুন। 

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক মাখনের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। এই পুষ্টিগুণ সম্পর্কে অনেকেরই অজানা। আপনারা অনেকেই মাখনের পুষ্টিগুণ জানতে ইন্টারনেটে সার্চ করে থাকেন। 

তাই আপনাদের জন্য এই আর্টিকেলটি অনেক বেশি ইনফরমেটিভ হবে। এজন্য এসব বিষয় সম্পর্কে জানতে আজকের পোস্টটি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। তাহলে মাখন এর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আপনি জানতে পারবেন। আর দেরি না করে বিস্তারিত তথ্য জানতে পড়তে থাকুন।

বাচ্চাদের মাখন খাওয়ার নিয়ম জেনে নিন

আমাদের প্রত্যেক বাড়িতেই দু-একজন করে নবজাতক শিশু বা অল্প বয়সের শিশু দেখা যায়। তাদের স্বাস্থ্যের দিক চিন্তা করে পিতা-মাতারা সবসময় পুষ্টিকর খাবার নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন এবং তাদেরকে সে সমস্ত খাবার দেওয়ার চেষ্টা করেন। 

তাদের পছন্দের তালিকায় বাচ্চাদেরকে মাখন খাওয়ানোর বিষয়টি থাকে। তবে এই মাখন বাচ্চাদেরকে কোন নিয়মে খাওয়ালে তাদের শরীরের জন্য বেশি উপকার হবে সে বিষয়টি অনেকেই অজানা। তাই আমরা এ সম্পর্কে জানবো এখান থেকে। 

তবে এ ব্যাপারে আপনার যদি কনফিউশন থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে বা পুষ্টিবিদের সাথে আলোচনা করে খাওয়াতে পারেন তাতে আপনার দুশ্চিন্তা দূর হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

যে সমস্ত বাচ্চাদের বয়স এক বছরের থেকে কম তাদেরকে নন সল্ট মাখন দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে তখন থেকেই। আবার যাদের বয়স এক বছরের বেশি তাদেরকে আমলের বাটার গুলো খেতে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

শিশুদেরকে বা বাচ্চাদেরকে মাখন খাওয়ানোর বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে। সে সমস্ত উপায়ে আপনি চাইলে আপনার বাচ্চাকে মাখন খাওয়াতে পারেন সে সম্পর্কে আলোচনা করব পড়তে থাকুন। 

সকালের নাস্তাতে আমরা মাখন খাওয়াতে পারি আবার পাউরুটির সাথে মাখন মাখিয়ে খাওয়াতে পারি। এর পাশাপাশি রুটি বা পাউরুটির সাথে ডিম রাখলে ডিমটা আমরা মাখন দিয়ে ভেজে নিতে পারি।এটি খুবই শক্তিশালী একটি খাবার। শরীরের প্রচুর এনার্জি দেবে। এতে বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

প্রতিনিয়ত আমরা মাংস জাতীয় খাবার খেয়ে থাকি সেই মাংস জাতীয় খাবার যদি মাখন দিয়ে ভেজে নিয়ে তৈরি করা যায় তাহলে এটি খুবই স্বাস্থ্যসম্মত এবং পুষ্টিকর খাবার হবে।

আমরা শাকসবজি প্রতিনিয়ত রান্না করি শাকসবজিতেও আমরা চাইলে মাখন ব্যবহার করতে পারি। এক্ষেত্রে আমরা আধা চামচ মাখন শাকসবজি মসলার সাথে মিশিয়ে সুন্দর করে রান্না করে অনেক স্বাদ করে খেতে পারি যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক হেলদি।

প্রতিনিয়ত খাবারের তালিকায় সালাত রাখা অত্যন্ত জরুরি কারণ সালাত খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী এ সালাতের মধ্যেও আমরা মাখন মিক্স করে খেতে পারি। তাহলে আরো একটু বেশি স্বাদ পাওয়া যাবে।

পোলাও আমাদের প্রত্যেকেরই পছন্দের একটি খাবার পোলাও খুবই সুস্বাদু এবং এর ফ্লেভার অনেক চমৎকার আরো বেশি চমৎকার করার জন্য পোলার মধ্যে পুষ্টিকর এই মাখন মিক্স করে খাওয়াতে পারলে বাচ্চাদের স্বাস্থ্য অনেক ভালো থাকবে।

প্রিয় বন্ধুগণ আমাদের অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন থাকে যে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে মাখন খাওয়ানোটা কতটুকু উপকার হবে,না বাচ্চাদের জন্য ক্ষতি হবে সে বিষয়টা নিয়ে আমরা চিন্তিত থাকি। এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে সে বিষয়টি জানতে পারবেন। 

বাটারের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট রয়েছে তবে এটা ভালো ফ্যাট যার কারণে বাচ্চাদেরকে সপ্তাহে ১ থেকে ২ বার খাওয়ানো যেতে পারে। 

তবে নিয়মিত বা বেশি পরিমাণে খাওয়ানোর প্রয়োজনে সেটা শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই পরিমাণ মতো বাচ্চাদেরকে খাওয়ানো উচিত।

বিশেষ করে যারা নতুন শিশুর জননী হন তারা সাধারণত মনে করেন বাচ্চাদেরকে মাখন দেয়া স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি হতে পারে বা ক্ষতির কারণ হতে পারে যার কারণে তারা তাদের বাচ্চাকে মাখন খেতে দিতে চায় না। 

আসলে অনেক মায়েরা জানে না শিশু জন্মের পরে বাচ্চাদের যখন সামান্য কয়েক মাস বয়স হয় তারপরে বাচ্চাদের কি কি খাওয়ার খাওয়ানো উচিত সে বিষয়ে তারা খুব একটা জানেনা। এর মূল কারণ হচ্ছে হয়তো তারা মাখনের উপকারিতা সম্পর্কেই জানেনা বা কোন ধারণাই নেই।

মাখন এর উপকারিতা-সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

মাখন স্বাস্থ্যকর সুস্বাদু একটি খাবার। প্রাচীনকাল থেকে মাখনের জনপ্রিয়তা রয়েছে মানুষের মাঝে। মাখন এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ফ্যাট যা সীমিত পরিমাণ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, হার্টকে সুস্থ রাখে তবে অবশ্যই সীমিত পরিমাণ বা পরিমাণ মতো খেতে হবে। 

যদিও পুষ্টিগুনে ভরপুর মাখন তারপরেও এটি পরিমাণ মতো খাওয়াটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। অনেক ধরনের বাজে খাবার খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে নানা ধরনের বাজে মেদ তৈরি হয়, যা আমাদের শরীরের জন্য খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। 

বাজে খাবারের ফলে যে সমস্ত মেদ তৈরি হয় বা চর্বি তৈরি হয় এই চর্বি ঝরানো অনেক কষ্টকর ব্যাপার। অপরদিকে মাখনের মধ্যে যে ফ্যাট রয়েছে তা শরীরের জন্য খুবই ভালো ফ্যাট, এ ফ্যাট শরীরের মেদ বাড়ালেও সেটা ঝরাতে খুব একটা কষ্টকর ব্যাপার নয়। 

কারণ মাখনের মধ্যে রয়েছে ভালো ফ্যাট যা নিয়মিত এক্সারসাইজ করার মাধ্যমে, বা ডায়েট কন্ট্রোলের মাধ্যমে এই ফ্যাট ঝরানো সম্ভব। আমাদের প্রত্যেকের শরীরে ভালো ফ্যাট প্রয়োজন। অনেক পুষ্টিবিদের মতে যাদের শরীরে ক্যালরির মাত্রা কম তারা নিয়মিত পরিমান মত খাদ্য তালিকায় মাখনের মত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার রাখলে তাদের ক্যালরির চাহিদা পূরণ হবে। 

তা যারা মনে করেন শরীরে ক্যালরির ঘাটতি রয়েছে অনেক বেশি তারা চাইলে মাখন খাবার তালিকায় রাখতে পারেন। লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে মাখন। 

যারা সাধারণত দুগ্ধজাত অর্থাৎ দুধ দিয়ে তৈরি যে সমস্ত খাবার গুলো রয়েছে যেমন মাখন, এ ধরনের খাবার যারা গ্রহণ করেন সাধারণত তাদের লিভারের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে। 

মাখনের পুষ্টিগুণ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের শরীরের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। 

মাখন খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ একটি খাবার। এখন খনিজ উপাদান খুদা কমাতে সাহায্য করে, এর মধ্যে রয়েছে আয়োডিন, সিলোনিয়াম ইত্যাদি কার্যকরী খনিজ উপাদান। 

মাখন এর মধ্যে ভিটামিন ই, ডি ও এ থাকে যা আমাদের শরীরের পুষ্টিগুণ চাহিদা পূরণ করে থাকে। খাবারের স্বাদ বাড়াতে মাখনের ব্যবহার অতুলনীয়। আমরা আমাদের প্রিয় খাবার গুলোর সাথে মাখন মিশিয়ে থাকি যাতে খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে যায়।

মাখন খাওয়ার নিয়ম এবং মাখন কিভাবে খায়-জেনে নিন

যেসব খাবার খাওয়া খারাপ না কিন্তু পরিমিত খাওয়া উচিত এমন খাবার গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মাখন। দৈনন্দিন জীবনে মাখন সবসময়ই খাওয়া হয়। এটি খেতে সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকরও বটে। তবে এটা সত্যি যে মাখন এর ফ্যাট মোটা হওয়ার জন্য অন্যতম কারণ। মাখন একটি মুখরোচক খাবার। 

মাখন থেকে ভিটামিন এ, ডি, ই, কে এবং উৎকৃষ্ট মানের ম্যাঙ্গানিজ, জিংক, সেলেনিয়াম, আয়োডিন পাওয়া যায়।

মাখনের অনেক ধরনের পুষ্টিগুণ থাকার কারণে এটা মানব শরীরের কোষের মেমব্রেন মজবুত করতে, লিভারের কার্যকারিতা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে, হাড়ের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে। 

সকালের নাস্তা কিংবা পাস্তা তৈরিতে অন্যান্য উপাদানের সাথে প্রয়োজন হয় মাখন। এটির সাধারণত কোন খাবারে মেখে খাওয়া হয়। এছাড়া রান্না করতে যেমন কিছু ভাজতে, সস তৈরিতে অথবা খাবারের বিশেষ সুঘ্রাণ আনতে মাখন ব্যবহৃত হয়। মাখনে চর্বি, পানি এবং দুগ্ধ প্রোটিন থাকে। 

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মাখন খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। মাখন খেলে শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন শুরু হয় এবং চিনির পরিমাণ হ্রাস পায়। মাখন খেলে হৃদপিণ্ড সুস্থ থাকে এবং হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। 

মাখন এ অনেক পুষ্টিগুণ থাকলেও একজন মানুষ একদিনে দুই থেকে তিন চামচের বেশি মাখন খেতে পারবে না। পরিমাণের বেশি মাখন খাওয়া উচিত নয়।

মাখন তৈরি করার নিয়ম-শতভাগ কার্যকর জেনে নিন

মাখন তৈরি করতে দুধ জাল দিয়ে করতে হবে ব্যাপারটা এমন নয় দুধ জাল করা ছাড়াও কাঁচা দুধ দিয়েও ব্লেন্ডারের মাধ্যমে মাখন তৈরি করা যায়। বাজারে বাটার কিনতে পাওয়া যায় তবে সেগুলো প্রসেস করা থাকে। 

যার কারণে সেটা শতভাগ খাঁটি বলা যায় না কিন্তু আপনি যদি ঘরোয়া উপায়ে বা ঘরে বসে মাখন তৈরি করার নিয়ম জানেন তাহলে আপনি নিজ বাসাতে বানাতে পারেন।সেটা শতভাগ খাঁটি হবে এবং অর্গানিক হবে যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো উপকারী এবং স্বাস্থ্যসম্মত। 

এই মাখনটি হবে সম্পূর্ণ অর্গানিক। এর মধ্যে থাকা পুষ্টিগুণ পাবেন শতভাগ। যদি আপনি বাসাতে ঘরোয়া উপায়ে বানিয়ে থাকেন তাহলে। প্রথমে যে উপকরণটি লাগবে সেটা হল দুধ আপনার ইচ্ছামত বা পরিমাণ দুধ নিতে পারেন, অবশ্যই দুধ টা ঠান্ডা হতে হবে সে ক্ষেত্রে দুধ নেয়ার পরে ফ্রিজে রাখবেন।
 
ডিপ ফ্রিজে রাখতে পারেন ডিপ ফ্রিজ থেকে বের করে তারপরে দুধটাকে লিকুইড করে নিতে হবে। এখান থেকে কিছু পরিমাণ দুধ ব্লেন্ডারের মধ্যে দিয়ে ব্লেন্ডারের মিডিয়াম স্পিডে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট ধরে ব্লেন্ড করতে হবে ভালো করে। 

তাহলে দেখা যাবে যে আস্তে আস্তে বাটারটা উঠে আসবে, আপনি দেখবেন যে দুধের উপরে কিছু ফেনা হয়ে এসেছে তবে এটা বাটার নয়। যখন দেখবেন যে এই ফেনাটা কিছুটা ইয়েলো কালার হয়ে গেছে, হাত দিয়ে ধরলে তৈলাক্ত মনে হবে তখন বুঝবেন যে এটা বাটারে পরিণত হয়েছে। 

এক মিনিট পরপর চেক করতে থাকবেন যেন কি অবস্থা রয়েছে। কমপক্ষে পাঁচ মিনিট ধরে ব্লেন্ড করতে থাকবেন তারপরে দেখবেন যে সেটা বাটার হয়ে গেছে, সে ক্ষেত্রে দেখবেন যে অনেক তৈলক্ত লাগবে, তখন বাটার উঠায় নিতে হবে। অবশ্যই ফ্রিজের ঠান্ডা পানির মধ্যে এই বাটারটা উঠিয়ে রাখতে হবে। 

যে দুধ দিয়ে আপনি বাটার তৈরি করেন সে দুধটি কিন্তু আপনি চাইলে খেতে পারেন এখানে স্বাদের যে খুব একটা পরিবর্তন হয় ব্যাপারটা এমনও নয়, চাইলে আপনি দুধ খেতে পারেন। পরবর্তীতে বাটার হাত দিয়ে চিপে আলাদা একটি পাত্রে উঠিয়ে নিতে হবে। 

চেষ্টা করবেন বাটারের মধ্যে থেকে পানিটা সম্পূর্ণ বের করে ফেলার তবে কিছুটা পানি থেকে যাই সেটা বড় সমস্যা নয়। এরপর বাটার পরিষ্কার বাটিতে নিয়ে ডিপ ফ্রিজের মধ্যে রাখবেন। চেষ্টা করবেন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ডিপ ফ্রিজে রাখার জন্য। 

তারপরে আপনি দেখবেন আপনার বাটার তৈরি হয়ে গেছে। বাজারে তৈরি যে বাটার, সে বাটার কিছুটা পুষ্টিগুণের ঘাটতি থাকলেও ঘরোয়া পদ্ধতিতে যে বাটার আপনি তৈরি করবেন তাতে শতভাগ পুষ্টিগুণ পাবেন। তাই চেষ্টা করবেন নিজে বানানোর।

পরিশেষে

প্রিয় বন্ধুগণ আপনারা যারা এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন আমি আশা করি তারা মাখন এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন পাশাপাশি উপকৃত হয়েছেন। 

এ ধরনের আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করতে থাকুন। সবশেষে আমি আপনার এবং আপনার পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্যতা কামনা করে আজকের মত এখানে শেষ করছি। ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url