হাই প্রেসারের ঔষধের নাম সম্পর্কে জেনে নিন | Rahul IT BD

হাই প্রেসারের ঔষধের নাম সম্পর্কে জেনে নিন

প্রিয় পাঠক আপনি কি হাই প্রেসারের ঔষধের নাম, খেজুর খেলে কি প্রেসার বাড়ে, হাই প্রেসার হওয়ার লক্ষণ, বাদাম খেলে কি প্রেসার বাড়ে এই সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গাতে ক্লিক করেছেন। কারণ এই সম্পর্কে এই পোস্টটিতে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
হাই প্রেসারের ঔষধের নাম
তাই আপনি যদি এই পোস্টটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়েন, তাহলে আমি আশা করি আপনার এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান ঘটবে। তাই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে এই পোস্টটি পড়তে থাকুন।

ভূমিকাঃ

প্রিয় বন্ধুগণ বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের মধ্যবয়সী এবং বয়স্ক মানুষের মধ্যে এই সমস্যা ব্যাপকভাবে হয়েছে। সাধারণত বিভিন্ন খাদ্যাভাস থেকে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে। 

আমরা যদি সচেতনতার সাথে প্রত্যেকটি খাবার গ্রহণ করি তাহলে সমস্যা থেকে আমরা সমাধান পেতে পারি খুব সহজেই। তাতে যদি এই সমস্যা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সমাধান পেতে চান তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য।

হাই প্রেসারের ঔষধের নাম সম্পর্কে জেনে নিন

১৭ মে, বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। বিশ্বজুড়ে উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত। হাইপারটেনশন বা হাই প্রেসার কে বাংলায় উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। এটি একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা।

এটি তখনই ঘটে যখন ধমনীতে রক্তের অত্যধিক চাপ করে। বর্তমান সময়ের কর্মব্যস্ততার পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, ধূমপান, অ্যালকোহল পান এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে প্রতিনিয়ত উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বা হাই ব্লাড প্রেসার এর রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

হাই প্রেসার কিছু ওষুধ খাওয়ার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। আপনারা অনেকে হয়তো হাই প্রেসারের ওষুধের নাম সম্পর্কে জানেন আবার যারা একেবারে নতুন হাই প্রেসারের রোগী তারা হয়তো হাই প্রেসারের ওষুধের নাম জানেন না। যে কোন সমস্যা বা রোগ হলে অবশ্যই দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

হাই প্রেসারের কিছু কমন এবং বেসিক ওষুধ রয়েছে যেগুলো ডাক্তার সাজেস্ট করেন খাবার জন্য। কিন্তু আপনি সেই ওষুধগুলো অবশ্যই চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ নিয়ে খাবেন। তাহলে চলুন আর দেরি না করে হাই প্রেসারের ওষুধের নাম জেনে নেই।

* ওল্মেট্রয়াক ২০ mg ট্যাবলেট (Olmetrack 20 mg Tablet)

* ওলারবি ২০ mg ট্যাবলেট (Olarbi 20 mg Tablet)

* অলমাইটি ২০ mg ট্যাবলেট (Olmighty 20 mg Tablet)

* ওল্মার্ক ২০ mg ট্যাবলেট (Olmark 20 mg Tablet)

* ওল্মেসিভ ২০ mg ট্যাবলেট (Olmecip 20 mg Tablet)

এটা একটা করে খেতে হয় তবে অন্য কোনো ওষুধের সাথে সমন্বয় করেও খেতে পারেন। এটি রক্তচাপকে শিথিল করতে সহায়তা করে এবং রক্তচাপ কমায় ফলের রক্ত সহজে চলাচল করতে পারে। প্রেসারের ওষুধ দিনে বা রাতের যেকোনো সময় খেতে পারেন তবে রাতে ঘুমানোর আগে খেলে এটা বেশি ভালো হয়।

প্রেসারের ওষুধ নিয়মিত সেবন করতে হয় কোন প্রকার বিরতি দেওয়া যাবে না, যতক্ষণ ডাক্তার নিষেধ না করছেন। অনেক সময় প্রেসার বেশি কমে গেলে, ওষুধের গ্রুপ পরিবর্তন করা লাগতে পারে, তবুও বন্ধ করা যাবে না।

খেজুর খেলে কি প্রেসার বাড়ে জেনে নিন

অনেকে হাই প্রেসারে ভুগছেন। হাইপ্রেসার নিয়ন্ত্রণ আনতে খাদ্য তালিকা থেকে অনেক খাবার বাদ দিচ্ছেন । হাই প্রেসারের রোগীদের বিভিন্ন রকমের খাবার খেতে মানা করা হয় কিন্তু তারা হয়তো অনেক কিছু অজান্তে খেয়ে ফেলে।

তবে খাবার খেয়েও হাই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। খেজুর খেলে কি প্রেসার বাড়ে এ সম্পর্কে অনেকে হয়তো জানেন আবার অনেকেরই বিষয়টা জানা নেই। তবে যাদের হাইপ্রেশার রয়েছে তাদের এ সম্পর্কে জেনে রাখা দরকার।

খেজুর অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাদ্য।এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। হাই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে খেজুরখান, পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করুন, ডায়েটের দিকে নজর রাখুন তাহলে দেখবেন হাইপ্রেশার নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে শুরু করেছে।

খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, জিংক, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম,ভিটামিন এ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব উপাদান শরীরকে পুষ্টি যোগায় এবং রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা পালন করে থাকে।

জিংক ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য করে এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণের কাজ করে থাকে। সেই সাথে দৃষ্টিশক্তির বৃদ্ধি, কনস্টিপেশন সারাতে এবং কোষের কর্মক্ষমতা বাড়াতে এই উপাদানগুলির কোন বিকল্প হয় না।

অনেকে মনে করেন খেজুর খেলে প্রেসার বৃদ্ধি হয় আসলে এ ধারণাটি পুরোপুরি ভুল। খেজুর অনেক রোগ থেকে শরীরকে রক্ষা পড়ার পাশাপাশি শরীরের ধমনী গুলি পরিষ্কার করে। এছাড়াও একটি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, স্ট্রোক ইত্যাদি চিকিৎসাতেও বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

এজন্য আপনাদের জেনে রাখা দরকার খেজুর খাওয়ার ফলে প্রেসার বাড়ে না তাই আপনারা দৈনিক এক থেকে দুইটা করে খেজুর খেতে পারেন শরীর সুস্থ রাখার জন্য।

খেজুরে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যা ধমনীদের ইলাস্ট্রিসিটি বাড়িয়ে দেয়। ফলে ব্লাড ফ্লো স্বাভাবিক হতে শুরু করে। যে কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তিনটা খেজুর খেতে পারেন।

খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস গরম পানি পান করতে হবে। টানা একমাস এভাবে খেজুর এবং গরম পানি পান করুন ভালো ফল দেখতে পাবেন। যদি খেজুর খেতে মন্দ না লাগে তাহলে এক মাসের পরেও খেয়ে যেতে পারেন তাতে কোন সমস্যা নেই।

বাদাম খেলে কি প্রেসার বাড়ে। হাই প্রেসারের ঔষধের নাম

বাদাম একটি পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান যা বেশিরভাগ মানুষেরই পছন্দের খাবার তালিকায় রয়েছে। বাদামে থাকা পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিনের খাবার তালিকায় বাদাম রাখা দরকার।

বাদাম মানুষের শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে অপরদিকে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত বাদাম খেলে হার্টের রোগের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম থাকে।

তবে অনেক মানুষ মনে করেন যে, বাদাম খাওয়ার ফলে হাই প্রেসার বাড়ে কিন্তু এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ রাখতে বাদাম কার্যকরী ভূমিকা রাখে। শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া সম্ভাবনা দেখা দেয়।

প্রতিনিয়ত যদি হাইপ্রেশন নিয়ন্ত্রণে বাইরে থাকে তাহলে হঠাৎ করে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক এবং কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়া সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তবে বাদামের মধ্যে ম্যাগনেসিয়াম আছে তাই প্রতিদিন বাদাম খেলে শরীরের রক্তচাপ বা হাইপ্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকা সম্ভব না রয়েছে।

বাদাম খেলে খিদে কম লাগে এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছাটা কম হওয়ার ফলে শরীরে ওজন কমে যায়। যে কারণে অতিরিক্ত ক্যালরি শরীরে জমা হতে পারে না ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও সাহায্য করে বাদাম। 

তাই আপনারা যদি হাই প্রেসারের রোগী হয়ে থাকেন তাহলে বাদাম খেতে পারেন এতে আপনার প্রেসার বাড়বে না বরং নিয়ন্ত্রণে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রেসার হাই হওয়ার লক্ষণ। হাই প্রেসারের ঔষধের নাম

বাংলাদেশে এক চতুর্থাংশ মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। তবে পুরুষের চেয়ে নারীরা এই সমস্যায় বেশি ভুগে থাকেন। চিকিৎসা শাস্ত্রে, স্বাভাবিক রক্তচাপ হলো ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ চাপ। তবে রক্তচাপ যখন এর বেশি যেমন ১৪০/৯০ মিলিমিটার পারদ চাপের বেশি হয় তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়।

হাই প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের সবসময় সতর্ক থাকতে হয়, তা না হলে হঠাৎ প্রেসার বেড়ে স্ট্রোকের মত মারাত্মক সমস্যা হয়ে যেতে পারে। অধিকাংশ মানুষ বুঝতে পারে না তার উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপ্রেসার হয়েছে। অর্থাৎ হাই প্রেসার সব ক্ষেত্রেই উপসর্গ বিহীন হয় ।

এজন্য একে নীরব ঘাতক বা সাইল্যান্ড কিলার বলা হয় । যে উপসর্গগুলো হতে পারে উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে তা হল:

* অনেক বেশি প্রেসার হলে দাঁড়ালে দৃষ্টি ঝাপসা হয়, মতিভ্রম ,বমি লাগা, গা কাঁপা ইত্যাদি হতে পারে।

* হাই প্রেসার হলে সর্বপ্রথম মাথা ধরা বিশেষ করে ভোরবেলা বা শেষ রাতে মাথা ব্যথা শুরু হয়। এর সাথে রাতে শেষের দিকে মাথা ঘামা ব্যথার সঙ্গে ঘাড়ে ব্যথা বা পিঠের ওপর দিকে বাঁকা সৃষ্টি হয় একই সঙ্গে নাক বন্ধ হতে পারে দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

* হাই প্রেসার কে নাক দিয়ে রক্তক্ষরণের কারণ বলে সাধারণভাবে ধারণা করা থাকলেও এটি ঠিক নয়। টেনশনে অনেকের প্রেসার কিছুটা বাড়লেও শুধু প্রেসার এর চিকিৎসাতেই রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না।

* উচ্চ রক্তচাপের জন্য রক্তনালী শক্ত হয়ে যায় ফলে রক্ত সাপ্লাই কমে যায়। সেজন্য এনজাইনা বা হার্টের ব্যথা, হৃদস্পন্দনের পরিবর্তন, হার্টের দুর্বলতা উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

* শ্বাসকষ্ট হতে পারে অনেকের আবার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়ে থাকে প্রেশার বেড়ে গেলে।

* প্রেসার বেড়ে গেলে অনেকের অনিদ্রা বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে থাকে। ক্লান্তি অনুভব করে থাকে। যে কারণে অনেক সময় প্রেসার বেড়ে গেলে ডাক্তাররা ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

হাই প্রেসারের রোগীদের উপরোক্ত লক্ষণ গুলো দেখা দিলে নিয়মিত প্রেসার চেকআপ করা উচিত এবং প্রেশার বৃদ্ধি পেলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে প্রেসার নিয়ন্ত্রণ রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে কোন ওষুধ খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত।

প্রেসার হাই হলে করণীয় বিষয় সম্পর্কে জানুন

আপনারা অনেকেই জানেন না প্রেসার হাই হলে করণীয় কি বা সংসঙ্গে কি করতে হবে তাহলে রোগীর প্রেসার নিয়ন্ত্রণে আসবে। যাদের পরিবারে হাই প্রেসারের রোগী রয়েছে তাদের হাই প্রেসার হলে করণীয় কি এর সম্পর্কে জেনে রাখা দরকার তা না হলে মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটে যেতে পারে। 

তাই প্রেসার হাই হলে কি করা উচিত সে সম্পর্কে আসুন জেনে নেই:

প্রেসার নিয়ন্ত্রণে ডাক্তারের পরামর্শের পাশাপাশি একটি সুপরিকল্পিত খাদতালিকা অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরী। তাই কলা, এভোকাডো, টমেটো, আলু, স্যামন মাছ, টুনা মাছ, বাদাম, খেজুর, দ এর মত খাবার নিত্যদিন খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে যেন প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে।


অনেকের বিনা কারণে হঠাৎ প্রেসার বেড়ে যেতে পারে। আবার অনেকের পরিবার ও কর্ম ক্ষেত্রে কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণে, রাতে ঘুম কম হওয়ার কারণে ও প্রেসার বাড়তে পারে। আমরা অনেক সময় ওষুধ খাওয়ায় দিয়ে অথবা চাপমুক্ত রাখতে ঘুমের ওষুধ দিয়ে থাকি প্রেসার বাড়লে।

আবার অনেক সময় আমরা প্রেশার অতিরিক্ত বেড়ে গেলে শিরাপথে ওষুধ দিয়ে প্রেসার কমানোর ব্যবস্থা করে থাকি অথবা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়ে থাকে।

হাই প্রেসার কমানোর জন্য করণীয় যা সে কাজ গুলোই করতে হবে অবশ্যই মানসিকভাবে চাপমুক্ত থাকতে হবে। খাদ্য তালিকায় কোমল পানীয় বা ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিতে হবে। খাবার থেকে লবণ বাদ দিয়ে দিতে হবে।

পরিশেষেঃ

প্রিয় পাঠক আপনি যদি এই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সমস্যার সমাধান খুঁজে পেয়েছেন এবং আমি আশা করি আপনি উপকৃত হয়েছেন। এ ধরনের আর্টিকেল পেতে আমাদের ওয়েবসাইট করতে থাকুন। 

আবার দেখা হবে নতুন কোনো আর্টিকেলে সেই পর্যন্ত আমাদের পাশেই থাকুন। সবশেষ আমি আপনার এবং আপনার পরিবারের সকলের শারীরিক সুস্বাস্থ্যতা কামনা করে আজকের মত এখানে শেষ করছি ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url